‘ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার থাকলে ম্যাচ হারতে হতো না'

আবাহনী লিমিটেডের আক্রমণভাগের অন্যতম অস্ত্র ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দোরিয়েল্তন গোমেজ। এমন অস্ত্র না থাকলে কী হতে পারে, তা হাড়ে হাড়ে টের পয়েছে ঐতিহ্যবাহীরা। হজম করেছে লিগের প্রথম হার!

চোটের কারণে ৩১ বছর বয়সী এখন খেলতে পারছেন না। ফলে তাকে রেখে আবাহনী সর্বশেষ মুখোমুখি হয়েছিল চট্টগ্রাম আবাহনীর। স্বাভাবিকভাবেই মৌসুমের দুই ট্রফি জেতা আবাহনী ছিল ফেভারিট। কিন্তু নিজেদের ভেন্যু সিলেটে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে তাদের। সেই ম্যাচে দোরিয়েল্তন থাকলে তিন পয়েন্ট হারাতে হতো না বলে অভিমত পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমসের।

কলিনদ্রেসের গোলে আবাহনী লিমিটেড এগিয়ে গেলেও চট্টগ্রামের দলটি ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি। বিশেষ করে প্রতি আক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেলে দারুণ গোল করে ম্যাচে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে ছেড়েছে মাঠও।

অথচ এই ম্যাচে আবাহনী লিমিটেড সুযোগ কম পায়নি। কিন্তু স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় হারই দেখতে হয়েছে। তাই মারিও লেমস পরিতাপের সুরে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘এভাবে গোল মিস করলে ম্যাচ জেতা যায় না। রাকিব-জীবনসহ অন্যরা গোল মিস করেছে। সুযোগ পেয়েও আমরা তিন পয়েন্ট নিতে পারিনি।’

দোরিয়েল্তন ৫ গোল করেছেন লিগে। এই ম্যাচ খেলতে পারলে হয়তো ফল অন্যরকম হতে পারতো- লেমস তো এমনই মনে করছেন, ‘দোরিয়েল্তন ম্যাচ খেলতে পারলে আমরা জিততেও পারতাম। ওর অভাব বেশ অনুভূত হয়েছে। এছাড়া হৃদয়-ইমনসহ অন্যদের চোট রয়েছে। পুরো দল হাতে পেলে আরও ভালো পারফরম্যান্স দেখানোর সুযোগ ছিল।’

তবে নিজেদের নিয়ে কাটাছেঁড়ার পাশাপাশি চট্টগ্রাম আবাহনীর প্রশংসা করতে ভোলেননি এই কোচ, ‘ওরা এই ম্যাচ ভালো খেলেছে। প্রতি আক্রমণে দারুণ গোল পেয়েছে। আমাদের দুই গোলের বেশি দিতে দেয়নি।’

প্রিমিয়ার লিগে এই প্রথম আবাহনী লিমিটেড হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে। পরের ম্যাচ ডিয়েগো আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানির সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে। এখন সেই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন লেমস, ‘সাইফের বিপক্ষে জিততেই হবে আমাদের। লিগ শিরোপার জন্য খেলতে হলে জয় ছাড়া বিকল্প নেই। আশা করছি, আমরা আবারও জয়ের ধারায় ফিরতে পারবো।’