চোট ও কার্ড সমস্যায় নিয়মিত একাদশের কয়েকজন ফুটবলারকে পাচ্ছিল না আবাহনী। ফলে জোড়া-তালি দিয়েই প্রিমিয়ার লিগে একাদশ সাজাতে হচ্ছে ঐতিহ্যবাহীদের। যার প্রভাবও পড়ছে ম্যাচে! মাঝে-মধ্যে পয়েন্ট হারানোর মতো অবস্থার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই তো এবার লিগে অষ্টম ম্যাচে এসে আবারও পয়েন্ট হারিয়েছে আকাশি-নীল জার্সিধারীরা। আগে গোল করে এগিয়ে থাকলেও স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘের সঙ্গে ড্র করেছে ১-১ গোলে।
নবাগত স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ শুরুর ম্যাচে বসুন্ধরা কিংসকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল। এরপর থেকে বেশ কিছু ম্যাচে ছিল নিষ্প্রভ। সেই দলটা হঠাৎ করে জ্বলে উঠলো আবাহনীর বিপক্ষে। অথচ রাজশাহীর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে শুক্রবার প্রথমার্ধেই আবাহনী এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে।
চোট-কার্ড সমস্যায় তিন বিদেশি এই ম্যাচে ছিলেন না। তারা হলেন- রাফায়েল অগাস্তো, মিলাদ শেখ সোলায়মানি ও দোরিয়েল্তন। তাদের অনুপস্থিতিতে কলিনদ্রেস-ই ছিলেন ভরসা। যদিও ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দোরিয়েল্তন শেষ দিকে নেমেও প্রভাব রাখতে পারেননি।
এক বিদেশি নিয়েও আবাহনী ৩৯ মিনিটে স্কোর ১-০ করে ফেলে। সতীর্থের শট গোলকিপার ফিরিয়ে দিলেও নাবীব নেওয়াজ জীবন ৬ গজের মধ্যে থেকে জাল কাঁপিয়েছেন। বিরতির পর দুদলই চেষ্টা করেছে লক্ষ্যভেদ করতে।
৭২ মিনিটে স্বাধীনতা গোল পেয়ে যাচ্ছিল। তাদের আক্রমণ ভণ্ডুল করে দেন আবাহনীর এক ডিফেন্ডার।
তবে ৮০ মিনিটে আর নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে পারেনি আবাহনী। সমতায় ফেরে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ। রাফাল জাভোরস্কির ফ্রি-কিক থেকে লাফিয়ে উঠে হেডে গোল করে আকাশি-নীল জার্সিধারীদের হতাশায় নিমজ্জিত করেন ইকবাল হোসেন।
শেষের দিকে এক খেলোয়াড়ের কর্নার থেকে করা হেড প্রতিপক্ষ গোলকিপারের গ্লাভসে জমা পড়লে আবাহনীর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নষ্ট হয়। দোরিয়েল্তন বদলি হিসেবে নেমেও দলকে তিন পয়েন্ট এনে দিতে পারেননি।
৮ ম্যাচে ৫ জয় ও দ্বিতীয় ড্রতে আবাহনী লিমিটেড ১৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। সমান ম্যাচে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ দ্বিতীয় ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে আছে।