হাভিয়ের কাবরেরা অনুশীলনে ফরোয়ার্ডদের দিকে জোর দিলেন একটু বেশিই। নাবীব নেওয়াজ জীবন-রাকিব হোসেন-সুমন রেজাদের দেখা গেলো বারবারই লক্ষ্যভেদ করতে। সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে রবিবার বিকালে এমন প্রস্তুতিতে একটাই লক্ষ্য মঙ্গোলিয়া জয়।
তবে ২৪ মার্চ মালদ্বীপের মাঠে তাদের কাছে ২-০ গোলের হারের ক্ষত ভুলতে পারছেন না নাবীব নেওয়াজ জীবনসহ অন্যরা। জীবন যেমন অনুশীলন শেষে সংবাদ মাধ্যমকে আফসোসের সুরে বলেছেন, ‘মালদ্বীপের মাঠে কেন যেন আমাদের ভাগ্যটা সহায় হয় না। কিছু কিছু জায়গায় ভুল হয়েছে। সেগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি, যাতে পরের ম্যাচে ভুল না হয়। এই পরাজয়টা সুখকর নয়। অনেক দিন পর জাতীয় দলে ফিরেছি। হেরে যাওয়ায় খুব দুঃখ পেয়েছি।’
মঙ্গোলিয়ার ম্যাচের ভিডিও চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে স্বাগতিকদের ফুটবলাররা। ২৯ মার্চের ম্যাচটি যে করেই হোক জিততে চাইছেন তারা, ‘মঙ্গোলিয়ার খেলার ভিডিও ক্লিপ দেখে আমাদের পরিকল্পনা কোচ সাজাচ্ছেন। অচেনা প্রতিপক্ষ। তবে এখানে আমাদের হোম অ্যাডভান্টেজ থাকবে, দর্শক থাকবে। দেশের ফুটবলের স্বার্থেই ম্যাচটা আমরা জিততে চাই। এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের প্রস্তুতিটা আশা করছি ভাল হবে।’
মালদ্বীপ ম্যাচে হারের কাটছেরা করছেন ডিফেন্ডার ইয়াসিন আরাফাতও। তার দৃষ্টিতে, ‘মালদ্বীপে এমন রেজাল্ট অবশ্যই হতাশাজনক। শুধু ডিফেন্স নয়, পুরো টিম হয়ে খেলতে পারিনি। এটাই হারের মূল কারণ। আরেকটু কনফিডেন্ট থাকলে, আরও একটু চেষ্টা থাকলে হয়তো ভাল হতো। আশা করছি সামনের ম্যাচে আমরা কামব্যাক করবো।’
কাবরেরার কোচিং স্টাইল নিয়ে প্রশ্ন এসেছে। ইয়াসিন বলেছেন, ‘আমার মনে হয় অস্কার ও কাবরেরার কোচিং স্টাইল প্রায় একই রকম। অত বেশি পরিবর্তন হয়নি। আমরা আসলে মাঠে ইমপ্লিমেন্ট করতে পারিনি। এটা খেলোয়াড়দের ব্যর্থতা। মঙ্গোলিয়ার দুর্বলতা ও শক্তির দিকগুলো আমাদের জানিয়েছেন। এগুলো নিয়ে কাজ চলছে। আমরা চেষ্টা করবো পরিকল্পনাগুলা মাঠে সফল করতে।’
২৯ মার্চের ম্যাচে মাঠে দর্শক থাকবে। যা বাড়তি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে ইয়াসিন আরাফাতদের।