রহমতগঞ্জের পেনাল্টি দুঃখ, মোহামেডানের ড্র

আগে গোল করে এগিয়ে গেলো রহমতগঞ্জ। শেখ রাসেল ম্যাচে সমতা ফেরানোর পর পেনাল্টি থেকে আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলো পুরান ঢাকার ক্লাবটি। কিন্তু সুযোগটা হাতছাড়া হলো রহমতগঞ্জের। বিরতির পর ক্রসবারে লেগে বল ফিরে আসলে গোলাম জিলানির দলটির আর জয়ের মুখ দেখা হলো না। প্রিমিয়ার লিগে দুই দলের খেলাটি ১-১ গোলের ড্রতে শেষ হয়েছে।

আজ (সোমবার) বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাতে ম্যাচ ঘড়ির ৪ মিনিটে রক্ষণের ভুলে পিছিয়ে পড়ে শেখ রাসেল। ওয়ালি ফয়সালের ক্রস বক্সের ভেতরে আকমাতোভ ক্লিয়ার করতে না পারলে সানডে চিজোবা সহজেই জাল খুঁজে নেন। গোলকিপার আশরাফুল রানা এগিয়ে এসেও আটকাতে পারেননি। এগিয়ে যায় রহমতগঞ্জ।

যদিও পরের মিনিটে শেখ রাসেল মোহাম্মদ জুয়েলের গোলে সমতায় ফেরে। রহমত মিয়ার লম্বা থ্রো-ইন থেকে বাবলুর মাথা ছুঁয়ে জুয়েলের পায়ে গেলে কোনও ভুল করেনি এই তরুণ ফরোয়ার্ড। চলতি লিগে এটি তার তৃতীয় গোল।

১১ মিনিটে আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নষ্ট করে রহমতগঞ্জ। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন রহমতগঞ্জের ঘানার স্ট্রাইকার ফিলিপ আজহা। বল মারেন ক্রসবারের ওপর দিয়ে। আজহাকে বক্সের মধ্যে আশরাফুল রানা ফেলে দিলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি মিজানুর রহমান।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সানডে চিজোবার বাঁকানো শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে ব্যবধান বাড়ানো যায়নি। শেখ রাসেল ৬৪ মিনিটে সুযোগ নষ্ট করে। হাবিবুর রহমান সোহাগের ফ্রি-কিক ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

তিন মিনিট পর সানডে চিজোবার নিচু করে নেওয়া গতির শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন আশরাফুল। কর্নার থেকে আসা বল ল্যান্সিন তোরের হেড আবারও কর্নারের বিনিময়ে বাইরে ঠেলে দেন এই বর্ষীয়ান গোলকিপার।

ভারপ্রাপ্ত কোচ জুলফিকার মাহমুদ মিন্টুর অধীনে টানা দ্বিতীয় ড্র করলো শেখ রাসেল। দলটি ১০ ম্যাচে চতুর্থ ড্রতে সপ্তম পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে। সমান ম্যাচে রহমতগঞ্জ তৃতীয় ড্রতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে।

প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে দিনের অন্য ম্যাচে কুমিল্লাতে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান গোলশূন্য ড্র করেছে পুলিশ এফসির সঙ্গে।

পুলিশ ১০ ম্যাচে চতুর্থ ড্রতে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে। সমান ম্যাচে মোহামেডান পঞ্চম ড্রতে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে যৌথভাবে ষষ্ঠস্থানে অবস্থান করছে।