বসনিয়ান স্ট্রাইকার বলছেন, মোহনবাগানকে ভয়ের কিছু নেই

বসনিয়ান স্ট্রাইকার নেদো তুর্কোভিচের অভিষেক হতে পারতো সিলেটে। ৩২ বছর বয়সী ফুটবলার সেভাবে প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু মালদ্বীপের ভ্যালেন্সিয়া না আসায় তার অভিষেকটা হয়েছে বিলম্বিত। তাই একটা আক্ষেপ তো রয়েছেই। তবে সেটি ভুলে যাওয়ার উপলক্ষও পেয়ে যাচ্ছেন আজ। এএফসি কাপের প্লে-অফ পর্বে এটিকে মোহনবাগানের বিপক্ষে আবাহনীর একাদশে নেদোর থাকাটা অনেকটা নিশ্চিত। আর খেলতে পারলে দলকে তিন পয়েন্ট এনে দেওয়াই তার লক্ষ্য।

যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এবার জয়ের ইতিহাস লিখতে চাইছে মারিও লেমসের দল। সেভাবে প্রস্তুতিও নেওয়া সারা। দলের সবার মতো নেদোও ভীষণ আত্মবিশ্বাসী। চোটের কারণে ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দোরিয়েন্তনের না খেলার সম্ভাবনা বেশি। তাই দল অনেকটা চেয়ে থাকবে ‘নম্বর নাইন’নেদোর দিকে। রাফায়েল অগাস্তোর ফাইনাল পাস কিংবা কলিনদ্রেসের মাপা ক্রসে মাথা ঠিকঠাক মতো ছোঁয়াতে পারলেই লক্ষ্যভেদ।

নেদোও চাইছেন অভিষেকটা রাঙিয়ে নিতে। বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘এই কদিনে অনুশীলনে সবার সঙ্গে বেশ মানিয়ে নিয়েছি। আমি আসলে খেলার জন্য উদগ্রীব। যে করেই হোক মাঠে ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে হবে, জিততে হবে। এ জন্য আমাকে গোল পেতে হবে।’

শুধু নেদোই নন, দলকে জিততে হলে অন্যদেরও সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পেতে হবে গোল। আগের দিন নাবীব নেওয়াজ জীবন যেমন বলেছেন, গোল করে কলকাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকতে চাইছেন তিনি।

নেদোও বলছেন, বিগ ম্যাচে গোল করতে পারেন যে কেউ, ‘শুধু আমি কেন। দলের হয়ে যে কেউ গোল করতে পারে। যখন সুযোগ পাওয়া যাবে, লক্ষ্যভেদ করার চেষ্টা করতে হবে। কেননা এই ম্যাচ জিততে পারলে গ্রুপ পর্বে খেলার সুযোগ হবে।’

স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ থেকে শুধু এএফসি কাপ খেলার জন্য আবাহনীতে নাম লিখিয়েছেন নেদো। এমনিতে তার বাবা আবাহনীর জার্সি ও খেলার ধরন বেশ পছন্দ করেন। তাই নেদোও চাইবেন, অভিষেক ম্যাচে কিছু একটা করে বাবার মুখে হাসি ফোটাতে।