জাপানে কম বয়সী হিসেবে সবচেয়ে বেশি মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থেকেছেন শিনজো আবে। ছিলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার নিজ দেশে এক বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। ৬৭ বছর রাজনীতিকের এমন মৃত্যুতে গোটা জাপান শোকে আচ্ছন্ন। আবের মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিতি আছে জাপানের। সেখানে বন্দুক বহনে বেশ কড়াকড়ি। ঠিক এই অবস্থায় নির্বাচনি প্রচারকালে এক বন্দুকধারীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাবেক প্রধানন্ত্রীর মৃত্যুতে সবাই হতভম্ব। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রের সাবেক ফুটবলার ইউসুকে কাতো এই ঘটনা শুনেছেন থাইল্যান্ডে বসে। তিনি নিজেও পরিস্থিতি বুঝে উঠতে পারছেন না।
এক থাই ক্লাবের সঙ্গে এখন জড়িত কাতো। সেখান থেকে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আবের এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন। এটা জাপানবাসীর কাছে অপ্রত্যাশিত বলতে পারেন। জাপানে বর্তমানে শোকে কাতর সবাই। শান্তিপূর্ণ দেশে এমন ঘটনায় সবাই অবাক।’
জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা আবের মৃত্যুতে শোকার্ত কাতো, ‘আবে যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন অনেক ভুল করেছিলেন। কিছু মানুষ তা ভুলতে পারেনি। তার এমন মৃত্যু কাম্য নয়। অনেক দুঃখজনক ঘটনা। জাপানিরা এমনটি আশা করেনি।’
কাতো দুই মৌসুম মুক্তিযোদ্ধা সংসদে খেলেছেন। দলটির হয়ে নিজ দেশে ফান্ডও সংগ্রহ করেছেন কোটি টাকার ওপরে। এই মৌসুমের শুরুতে খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসর নেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী ম্যানেজার হয়ে নতুন করে কাজও শুরু করেছিলেন। কিন্তু ৩৬ বছর বয়সী সাবেক মিডফিল্ডার বেশি দিন আর থাকেননি। লিগ শুরুর আগে থাইল্যান্ড পাড়ি জমান।