তারপরও নেপালকে সমীহ করছে বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে তিন ম্যাচ শেষে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় আছে বাংলাদেশ। ৯ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ এককভাবে শীর্ষে রয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (২ আগস্ট) বিকালে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে লড়তে হবে। এই ম্যাচ জিতলে ফাইনালে যেতে কোনও হিসাব-নিকাশ করতে হবে না। তাই জয়ের ধারাবাহিকতা রাখতে চাইছে পল স্মলির দল।

অবশ্য ফাইনালে যেতে বাংলাদেশের ড্র কিংবা হারলেও সুযোগ থাকবে। সেক্ষেত্রে নেপালের কাছে বড় ব্যবধানে হারা যাবে না! তখন হিমালয়ের দেশটির সামনে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে খেলার সুযোগ আসবে। কিন্তু তেমনটা হতে দিতে চায় না বাংলাদেশ। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেই ম্যাচ জেতার পরিকল্পনা।

ভারতের ভুবনেশ্বরের কালিঙ্গা স্টেডিয়ামে মাঠে নামার আগে সোমবার বাংলা ট্রিবিউনকে অধিনায়ক তানভীর নিজেদের প্রত্যাশার কথা শুনিয়েছেন, ‘আমরা জেতার জন্যই মাঠে যাবো। জানি ড্র হলে ফাইনাল খেলতে পারবো। কিন্তু সেদিকে দৃষ্টি দিতে চাই না। সবাই ম্যাচ জিতে ফাইনালে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে।’

আগের ম্যাচে নেপাল ৮ গোলে হেরেছে স্বাগতিক ভারতের কাছে। সেই ম্যাচ দেখেছেন তানভীর, ‘আসলে সেদিন নেপাল প্রথম গোলটা বাজেভাবে হজম করেছে। তাতে এলোমেলো হতে সময় লাগেনি। আমাদের কাছে মনে হয়েছে নেপাল ৮ গোল হজম করার মতো দল নয়। হয়তো সেদিন তাদের ভাগ্য সহায় ছিল না। তবে আমরাও চেষ্টা করবো সেভাবে তাদের বিপক্ষে লড়াই করতে।’ তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক তাদের হালকা করে দেখছেন না। ভারত নেপালকে বিশাল ব্যবধানে হারালেও বাংলাদেশ গোলসংখ্যার দিকে তাকাতে চাইছে না। তাদের কাছে জয়টাই মুখ্য, ‘নেপালকে মোটেও হালকা করে দেখছি না। ওরা যতই আগ্রাসী ফুটবল খেলুক, আমরা নিজেদের খেলাটা খেলতে পারলে জয় আসবেই। তাই গোলসংখ্যার দিকে সেভাবে তাকাচ্ছি না।’

বাংলাদেশ দল সোমবার সকালে জিমের পর বিকালে ঘণ্টাখানেক মাঠে ঘাম ঝরিয়েছে। কৌশলগত কারণে কালকের ম্যাচে ডিফেন্ডার শাহিন মিয়াকে দেওয়া হচ্ছে বিশ্রাম। একটি হলুদ কার্ড থাকায় টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাইছে না। পাশাপাশি ফাইনালের জন্য লম্বা থ্রো-ইনে দক্ষ শাহিনকে ব্যবহারের পরিকল্পনাও আছে।