ভারতে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে স্বাগতিকদের কাছে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। বয়স ভিত্তিক আরেক সাফ টুর্নামেন্ট অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে একই প্রতিপক্ষকে পাওয়ায় ‘প্রতিশোধের’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাখলেও সফল হতে পারেনি পল স্মলির দল। কলোম্বোতে দুই গোলে পিছিয়ে থেকে এক গোল শোধ দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষপর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছে মিরাজুল-ফয়সালদের।
রেসকোর্স আন্তর্জাতিক মাঠে শুরুতে বাংলাদেশ চাপ দিয়ে খেলতে থাকে। ডান দিক দিয়ে ক্রস করে ভয় ধরানোর চেষ্টা ছিল। তাতেও কাজ হয়নি। ভারত একটু গুছিয়ে নিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রেখেছে। তবে গোলের খাতা খুলতে পারেনি। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যতে। বিরতির পর নম্বর নাইন থাংলালালসুন গাংতে একাই ম্যাচের চিত্র বদলে দেন। তার জোড়া লক্ষ্যভেদে ভারত এগিয়ে যায়। ৫১ মিনিটে বিল্ডআপ ফুটবল থেকে প্রথম গোল আসে। থাংলালালসুন বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে জাল কাঁপান।
৫৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুনও হয়েছে। ডান প্রান্তের ক্রসে থাংলালালসুন অফ সাইড ট্র্যাপ ভেদ করে ফাঁকায় প্লেসিং করে দেন। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা আপত্তি জানালেও কাজে লাগেনি।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করে। দুই মিনিট পর সফলও হয়।
৬১ মিনিটে মিরাজুল ইসলামকে ফেলে দেন এক ডিফেন্ডার। মিরাজুল নিজেই পেনাল্টি নিতে এসে গোলকিপারের বিপরীত দিক দিয়ে ব্যবধান কমিয়েছেন। বাংলাদেশের লড়াইটা ওই পর্যন্তই। ৭৬ মিনিটে গোলকিপার বেরিয়ে আসলে মিরাজুল বাই লাইন থেকে শট নিলেও লক্ষ্যে পাঠানোর মতো কেউ ছিল না।
তাতে আবারও স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা নিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।