ফুটবল খেলে বাংলাদেশের মেয়েরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করছেন। হয়েছেন সাবলম্বী। সেটাই সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।
সাবিনাদের সাফ জেতার পর বাফুফে ভবনে সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘প্রথম যখন এই মেয়েদের বাবা-মাকে ডেকেছিলাম, তখন তাদের কিছুই ছিল না। বড়জোর মাসিক আয় ছিল ৮-১০ হাজার টাকা। এখন এই ফুটবল খেলার ফলেই তাদের ঘরে ঘরে দুইটা টিভি, চারটা মোবাইল, ব্যাংক ব্যালেন্স। কাল (বুধবার) বাফুফে ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যে সংবর্ধনাটা দেবে, সেটা দেখার পর অন্য মেয়েরা খেলার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠবে।’
মেয়েদের একাডেমি নিয়েও প্রশ্নের সামনে পড়েন বাফুফে প্রধান। উত্তরে বাস্তবতা তুলে ধরেন তিনি, ‘একাডেমি করা অত সহজ নয়। টকশো-তে দেখেছি অমুক ব্যারিস্টার, তমুক ইঞ্জিনিয়ার একাডেমি করে ফেলেলে। ওরকম একাডেমি করাই যায়। আমরা সত্যিকারের একাডেমি করতে চাই। ইতিমধ্যে মেয়েদের ও ছেলেদের একটা করে একাডেমি আছে।’
সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘আমরা সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছি মেয়েদের জন্য আরও একটি ও ছেলেদের জন্য দুটি একাডেমি করে দেওয়ার। একাডেমি চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে চ্যালেঞ্জ। একাডেমি চালাতে বছরে সাড়ে ৪ কোটি টাকা লাগে।’