দেশের মাটিতে নেমেই চ্যাম্পিয়নদের লাইভ

বিমানবন্দরে নেমেই বুঝতে পেরেছেন কী ভীষণ বদলে গেছে সবকিছু। বাইরে সাংবাদিকদের ভিড়, উৎসুক জনতা সকাল থেকেই অপেক্ষায় আছে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য। আর নিরাপত্তার কথা ভেবে চাইলেই বের হয়ে যেতে পারছেন না বিজয়ী ফুটবল টিমের মেয়েরা। দারুণ উচ্ছ্বাস আর টানটান উত্তেজনা চারপাশে। ঠিক এমন সময় বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার আগে লাইভে আসেন মারিয়া মান্ডা। একে একে টিমের সবার কাছে গিয়ে তিনি অনুভূতি ব্যক্ত করতে অনুরোধ করেন। সবার মুখে আত্মবিশ্বাসের হাসি তখন। একে একে প্রত্যেকে তাদের ফ্যানদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। কেউ দু-এক লাইন কথাও বলেন।  

মারিয়া প্রথমে লাইভে ধরেন সানজিদাকে। সানজিদা বলেন, হাই কেমন আছেন? আমরা আইসা পড়সি। সানজিদা সেই জন, যার ফেসবুক স্ট্যাটাস গত তিনদিন ধরে সবার মুখে মুখে। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান দিয়েছিলেন, এই দেশের মানুষের কাছে তারা কী চান।

এরপরই লাইভে কথা বলতে দেখা যায় শিউলি আজিমকে। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এরপরে দেখা মেলে সাজেদার। তাকে অনুভূতি ব্যক্ত করতে বললে তিনি কেবল হাত নেড়ে বলেন, আমিও লাইভ করছি।

এসময় পাশ থেকে এক সতীর্থ বলে ওঠেন, এত মানুষের ভালোবাসা কই রাখি। তার পাশে বসা নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, আমি আশাও করিনি এত ভয়ংকর আয়োজন হবে।

এরপর একে একে ক্যামেরা যায় সাথী, স্বপ্না রানির কাছে। স্বপ্না বলেন, অন্যরকম ভালোলাগা। আনাই এ সময় সবার উদ্দেশে হাত নাড়েন। মারিয়া এ পর্যায়ে বেস্ট গোলকিপারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। পাশ থেকে হাস্যোজ্জ্বল আনুচি এসে সবার উদ্দেশে ফ্লাইং কিস ছুড়ে দেন। আঁখি খাতুন, ঋতুপর্ণা হাত নেড়ে কৃতজ্ঞতা জানাতেই সামনে আসেন কৃষ্ণা। তিনি ফাইনালে গোল করে সবার কাছে চেনামুখ। ক্যামেরায় তাকে ধরে পরিচয় করিয়ে দিতে চাইলে মারিয়াকে উদ্দেশ করে কৃষ্ণা বলেন, ক দুইটা গোল দিসি।

মানসুরা বেস্ট ডিফেন্ডার, মার্জিয়া, তোহুরা, শামসুন্নাহার সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন মারিয়া। এরপর তারা ব্রিফিং শেষে বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে আসেন। মারিয়া পুরো সময়টাতেই লাইভ করেন। বের হয়ে আসা, কাঙ্ক্ষিত ছাদখোলা বাসে উঠে নাচ-গান, সবকিছু ধারণ করে রাখতে চান তিনি।