কাতারে বিশ্বকাপের শেষ কয়েক ম্যাচে ফার্নান্দো সান্তোসের পর্তুগাল দলে ‘উপেক্ষিত’ ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। টুর্নামেন্ট শেষে সান্তোসকে বরখাস্ত করে রবার্তো মার্তিনেজকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভক্তদের মাঝে উদ্বেগ, সান্তোসের মতো কি তিনিও রোনালদোর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবেন? হতাশ করেননি স্প্যানিশ কোচ। অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করে মার্তিনেজ গত মার্চে ইউরো বাছাইয়ের দুটি ম্যাচের দলে ফেরান রোনালদোকে। বৃহস্পতিবার পর্তুগালের কোচ জানালেন, পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে দলের বাইরে রাখার কথা ভাবছেন না।
আল নাসর তারকাকে জাতীয় দলের জন্য ‘খুব মূল্যবান’ উপকরণ আখ্যা দিয়েছেন মার্তিনেজ। পর্তুগিজ ব্রডকাস্টার আন্তেনা ওয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোচ পর্তুগালের শেষ দুটি ম্যাচে রোনালদোর পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করেছেন। লিচটেনস্টেইন ও লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে দুটি ম্যাচেই জোড়া গোল করেন সিআরসেভেন।
দলে রোনালদোর গুরুত্ব কতটা সেটাই প্রকাশ করলেন মার্তিনেজ, ‘আমি মনে করি ক্রিস্টিয়ানো আমাদের মার্চের খেলাগুলোতে খুব ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।’ স্প্যানিশ কোচের ব্যাখ্যা, ‘সে খুব গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এবং ড্রেসিংরুমেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি। সে মূল পজিশনে খেলে, এমন স্ট্রাইকার সে, যে পার্থক্য গড়ে দেয়।’
মার্তিনেজের মতে রোনালদোর রয়েছে অনন্য অভিজ্ঞতা, ‘বিশ্ব ফুটবলে ১৯৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা আর কোনও খেলোয়াড় নেই। এটাই আমাদের জন্য খুবই মূল্যবান কিছু।’ ৩৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড পরের ম্যাচেও দলে জায়গা পাচ্ছেন কি না প্রশ্নে কোচের উত্তর, ‘হ্যাঁ, আমার অবস্থান তেমনই।’
আগামী ১৭ জুন ইউরো বাছাইয়ে বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে স্বাগত জানাবে পর্তুগাল। তিন দিন পর ২০ জুন তারা খেলবে আইসল্যান্ডের মাঠে। গত মার্চে লিচটেনস্টেইনে চার ও লুক্সেমবার্গকে ছয় গোলে উড়িয়ে ইউরোর মঞ্চে ওঠার মিশন শুরু করেছিল ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা।