তবু সাফে সর্বোচ্চ সাফল্যের আশায় কাজী নাবিল

‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ’ হিসেবে অভিহিত ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’ শুরু হতে যাচ্ছে ২১ জুন থেকে, চলবে ৩ জুলাই পর্যন্ত। এবারই প্রথম এই টুর্নামেন্টে দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে থেকে দুটি দেশ অংশ নিচ্ছে। ২০০৩ সালের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ এবারও ভারতের বেঙ্গালুরুর টুর্নামেন্টে পাখির চোখ রেখে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। আজ শনিবারের সভায় সাফে সর্বোচ্চ সাফল্যের প্রত্যাশা করেছেন জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ।

বাফুফে ভবনের সভায় আজ মূলত দলের ম্যানেজার ও খেলোয়াড় তালিকা ছাড়াও অন্য বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে। সভা শেষে কাজী নাবিল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘জাতীয় দল কমিটির সভা ছিল। চলমান কাজের পর্যালোচনা করা হয়েছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হবে বেঙ্গালুরুতে। কোচের সঙ্গে এটা নিয়ে আলোচনা ছিল। এছাড়া নানা বিষয়ে যে ব্যবস্থাপনা ও আয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

১৫ মের মধ্যে সাফের কাছে ৩৫ সদস্যের প্রাথমিক দল দিতে হবে। সভায় সেটা নিয়ে আলোচনার পর চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেছেন কাজী নাবিল, ‘বেশ কিছু কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছি। কিছু বাকি আছে। কিছু নির্দেশনা দেওয়া আছে। তা শিগগিরই সভা করে সম্পন্ন হবে। সাফের আগে ১৫ মের মধ্যে অফিসিয়াল তালিকা দিতে হবে। কোচের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি একটি ৩৫ সদস্যের খসড়া তালিকা তৈরি করেছেন। দল নিয়ে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেছেন। আমরা অনুমোদন করে দিয়েছি।’

সাফে জাতীয় দলের ম্যানেজার করা হয়েছে নির্বাহী কমিটির সদস্য আমের খানকে। তার ওপর আস্থা রেখে কাজী নাবিল বলেছেন, ‘কোচিং স্টাফের মধ্যে ফিজিও নেওয়া হবে নতুন করে। এছাড়া সাফে ম্যানেজার করা হয়েছে আমের খানকে। আশা করছি, তিনি সফলভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। পেশাদার ম্যানেজারের জায়গায় এখনও আমরা যেতে পারিনি।’

দক্ষিণ এশিয়ার ৬টি দল ছাড়াও এবার বাইরে থেকে লেবানন ও কুয়েত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে যাচ্ছে। তাই টুর্নামেন্টটি আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী হতে যাচ্ছে। তবু দেশের কাছে সর্বোচ্চ সাফল্য চাওয়ার দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন কাজী নাবিল, ‘আমাদের চাওয়া হলো সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাওয়া। দুটো শক্ত দল আছে এবার, লেবানন ও কুয়েত। ওরা সবদিক দিয়ে অনেক এগিয়ে। শুধু আমাদের জন্য নয়, সবার জন্য। কঠিন প্রতিযোগিতা হতে যাচ্ছে। আমরা সর্বোচ্চ ভালো খেলার চেষ্টা করবো। সর্বোচ্চ ফল করার জন্য আমাদের তরফ থেকে কোনও গাফিলতি রাখছি না। আশা করবো কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড় যারা আছেন, তারাও সর্বোচ্চটা দেবেন। এছাড়া আমরা সবসময় ভালো ফল চাই। চাওয়া-পাওয়ায় কোনও বদল আসছে না।’