সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ সবশেষ সেমিফাইনালে খেলেছিল ২০০৯ সালে। এরপর থেকে পাঁচটি আসরে গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি লাল-সবুজ দল। প্রতিবারই আশা দেখিয়ে সেমিফাইনালের আগে বিদায় নিতে হয়েছে। এবারের সাফ হতে যাচ্ছে ভারতের বেঙ্গালুরুতে। ২১ জুন থেকে শুরু হওয়া সাফে ‘গেম বাই গেম’ এগিয়ে যাওয়ার কথা শুনিয়েছেন বাংলাদেশের স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা।
জাতীয় টিমস কমিটির সভা ছিল আজ শনিবার। আলোচনা শেষে কাবরেরা আশার বাণী শুনিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সত্যিকার অর্থে আমি রোমাঞ্চিত। আমরা লেভেল অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে চাই। আমাদের গেম বাই গেম এগিয়ে যেতে হবে। চেষ্টা করবো সেমিফাইনালে যেতে, তারপর পরের ম্যাচ।’
এবারের সাফে প্রথমবারের মতো লেবানন ও কুয়েত খেলতে যাচ্ছে। তাই আগের চেয়ে কঠিন এক টুর্নামেন্ট হতে যাচ্ছে। কাবরেরাও সেটাই মনে করছেন, ‘অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে লেবানন ৯৯ ও কুয়েত ১৪৩ এ অবস্থান করছে। অন্যরা কম নয়। আসলেই চ্যালেঞ্জিং একটি টুর্নামেন্ট। ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।’
মালদ্বীপ সাফে রাউন্ড রবিন লিগের শেষ ম্যাচে হেরে বাংলাদেশ ফাইনালে খেলতে পারেনি। তবে কাবরেরা সেই ভুল করতে চান না, ‘আগের থেকে চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। আগে শেষে মুহূর্তে গোল হজম করতে হয়েছে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলেছে দল। আমি নিশ্চিত সামনের দিকে আরও ভালো ফল হবে।’
সাফে গত বছর নারী দল প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সেখান থেকে অনুপ্রেরণা নিচ্ছেন ৩৭ বছর বয়সী কোচ, ‘নারী দল সাফে চ্যম্পিয়ন হয়েছে। এটা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। আমরা এটাকে ইতিবাচক ধরে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। আসলে সবার জন্য ইতিবাচক চ্যালেঞ্জ। আমরা যে সঠিক পথে আছি তাও প্রমাণ করতে হবে।’
নতুন ম্যানেজার আমের খান বলেছেন, ‘আমি আমার দায়িত্ব সূচারুভাবে পালন করতে চাইছি। দল যেন সুশৃঙ্খলভাবে থাকে সেই চেষ্টা করবো। আমরা ট্রফি জয়ের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।’