২০২১ সালে দেড় যুগেরও বেশি সময়ের সম্পর্ক চুকিয়ে বার্সেলোনা ছাড়তে বাধ্য হন লিওনেল মেসি। ফ্রি এজেন্টে তাকে চুক্তি করে পিএসজি। এর আগে কেউ হয়তো কল্পনাও করেননি, আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড অন্য ক্লাবের জার্সি পরবেন। তাদের মধ্যে একজন সাবেক বার্সা ফরোয়ার্ড থিয়েরি অঁরি।
কিন্তু ফ্রান্সের সাবেক ফরোয়ার্ডের মতো অনেককে অবাক করে দিয়ে পিএসজিতে যোগ দেন মেসি। তবে প্যারিসে দুই বছরের চুক্তি শেষে আবার তাকে ন্যু ক্যাম্পে ফেরাতে বার্সেলোনার তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। অঁরিও আবার মেসিকে বার্সার জার্সিতে দেখতে অধীর হয়ে আছেন।
২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ন্যু ক্যাম্পে মেসির পাশে খেলেছে অঁরি। অ্যামাজন প্রাইমের ‘ডিমানশে সোয়ার ফুটবল’ শোয়ে সাবেক এই তারকা সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে ঘিরে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনা উল্লেখ করেছেন।
সম্প্রতি পার্ক দে প্রিন্সেসে মেসিকে দুয়ো দেন পিএসজি ভক্ত-সমর্থকরা। এনিয়ে অঁরি বললেন, ‘শিষ কেন দেওয়া হয়েছে আমি বুঝতে পারি, কিন্তু সেগুলো মানতে পারি না। তাকে দুয়ো দেওয়ার ঘটনা এই প্রথম নয়। লোকেরা বলবে এটা তার প্রাপ্য বা আরও কিছু। কিন্তু পিএসজির সমস্যা মেসি নয়। হ্যাঁ, কারও অনুশীলন মিস করা উচিত না। আমি শিষ দেওয়ার কারণ বুঝি, কেউ ক্লাবের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু সবকিছু হতে হবে নিয়ম মেনে। আমি খুব কম সময়ই দেখেছি যে চ্যাম্পিয়ন হওয়া খেলোয়াড়কে শিষ দেওয়া হচ্ছে।’
সপ্তাহখানেক আগে ক্লাবের অনুশীলনে না গিয়ে সৌদি ভ্রমণে যান মেসি। নিষিদ্ধ হন দুই সপ্তাহের জন্য। তবে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ায় ৫ দিন পরই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। অঁরি বললেন, ‘যখন আপনি ট্রেনিং সেশন মিস করবেন, আপনি নিষিদ্ধ হবেন। কিন্তু আসল বিভক্তি হলো ভক্ত ও কাতারি যুগের। মেসি কখনও সমস্যা ছিল না, আমি তার সঙ্গে খেলেছি এবং সে সবসময় সবকিছুর সমাধান। সে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, দুই মাসে তো সে বড় হয়ে ওঠেনি। হ্যাঁ, সে পিএসজিতে থাকছে না। সে বার্সায় ফিরলে ভালো লাগবে, কারণ আমি যখন মেসিকে দেখি, তখন বার্সাকে দেখতে পাই।’