রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ম্যানসিটির ৪-০ গোলে জিততে একটি গোল করেছিলেন জুলিয়ান আলভারেজ। আর এসি মিলানের বিপক্ষে শেষ চারের ফিরতি লেগে ইন্টার মিলানের জয়ে একমাত্র গোল এসেছিল লাউতারো মার্তিনেজের কাছ থেকে। দুজনেই গত ডিসেম্বরে বিশ্বকাপ জয়ের পথে আর্জেন্টিনার জার্সিতে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তাদের ক্লাব চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠায় এক বিরল কীর্তি গড়ার সুযোগ।
একই মৌসুমে বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার দোরগোড়ায় আলভারেজ ও মার্তিনেজ। ইন্টার কিংবা ম্যানসিটি যেই চ্যাম্পিয়ন হোক, ইতিহাসের পাতায় নাম লিখবেন এই দুই আর্জেন্টাইনের একজন।
এর আগে ১১ জন খেলোয়াড় এই অভিজাত অর্জনের তালিকায় নাম লেখান। প্রথম দফায় এই কীর্তি গড়েন জার্মানির সেপ মায়ার, পল ব্রেইটনার, হ্যান্স-জর্জ শোয়ার্জেনবেক, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, জার্ড মুলার, উলি হোনেস ও ইয়ুপ কাপেলম্যান। ১৯৭৪ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে তৎকালীন ইউরোপিয়ান কাপ জেতেন তারা।
১৯৯৮ সালে ফ্রান্স ও রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এই সাফল্য পান ক্রিস্টিয়ান কারেমবেউ। ২০০২ সালে ব্রাজিল ও রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে এই কীর্তি গড়েন রবার্তো কার্লোস। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জার্মানি ও ফ্রান্সের হয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর রিয়ালের জার্সিতে একই মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতেন সামি খেদিরা ও রাফায়েল ভারানে।
এই প্রথমবার আর্জেন্টিনার কেউ ‘ডাবল’ সাফল্যের স্বাদ পেতে যাচ্ছেন। আগামী ১০ জুন ইস্তানবুলে মুখোমুখি হবেন আলভারেজ ও মার্তিনেজ। শেষ পর্যন্ত হাসি থাকবে একজনের মুখে।