নিজ দলের হার চেয়েও বাজি ধরেছেন ব্রেন্টফোর্ডের নিষিদ্ধ স্ট্রাইকার!

ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) বেটিংয়ের ২৩২টি আইন লংঘনের শাস্তি পেয়েছেন ব্রেন্টফোর্ডের স্ট্রাইকার ইভান টনি। গত সপ্তাহে তাকে আট মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়, সঙ্গে ৫০ হাজার পাউন্ড জরিমানাও গুনতে হচ্ছে তাকে। শুক্রবার এই ফুটবলারকে নিয়ে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো ইংল্যান্ড ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা।  

জুয়ায় আসক্ত ছিলেন টনি। এমনকি ২৭ বছর বয়সী স্ট্রাইকার তার তৎকালীন ক্লাব নিউক্যাসল ইউনাইটেডের হারের বাজিও ধরেন। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত সাতটি ভিন্ন ম্যাচে নিজ দলের হার চেয়ে ১৩টি বাজি ধরেন তিনি। ওইসময় নিউক্যাসল থেকে ধারে উইগান অ্যাথলেটিকে এবং পরে স্কুনথর্পে ইউনাইটেডে ছিলেন।

এফএ এদিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট রেগুলেটরি কমিশনের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে। সেখানেই এমন তথ্য মিলেছে। তারা জানায়, ১৫ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল তাকে। কিন্তু তিনি দোষ স্বীকার করায় এবং একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জুয়ায় আসক্তির প্রমাণ পাওয়ায় শাস্তি কমানো হয়।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফিলিপ হোপলি এফএ কাপের শুনানিতে ভিডিও কলে যোগ দেন। সেখানেই তিনি কমিশনকে জানান, টনির পেশাদার সহায়তা প্রয়োজন। থেরাপিতে তাকে সুস্থ করা সম্ভব বলে তিনি জানান।

জানা গেছে, টনি এখন আর জুয়া খেলেন না। থেরাপির মাধ্যমে এই সমস্যা কাটিয়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেট এই সপ্তাহের শুরুতে টনির নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ নিয়ে সমালোচনা করেন। আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্রেন্টফোর্ডের সঙ্গে কোনও ধরনের অনুশীলন করতে পারবেন না এই স্ট্রাইকার। আর ২০২৪ সালের মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত খেলতে পারবেন না ফুটবল।