গত বছর সাফ জেতার পর দীর্ঘ প্রায় ১০ মাস আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বাইরে ছিল বাংলাদেশ দল। অনেকদিন পর নেপালের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের সিরিজ খেলেছে লাল-সবুজ দল। তাতে প্রথম ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র ও আজ টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারতে হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে খেলার মধ্যে না থাকায় নেপালের বিপক্ষে সিরিজে এই প্রভাব পড়েছে বলে জানালেন হেড কোচ মাহবুবুর রহমান লিটু।
গোলাম রব্বানী ছোটনের জায়গায় লিটুর প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ছিল এটা। কিন্তু লিটু এক অর্থে সফল হতে পারেননি। তবে মাঠে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন, ‘১০ মাস ধরে খেলার মধ্যে নেই। এটার প্রভাব তো পড়বেই খেলাতে। ফল কী হয়েছে তা তো দেখেছেন। এটাই বড় কারণ, তা নয়। আমাদের মেয়েদের অনেকেই বর্তমান দলে নেই। একমাস ১২ দিন কৃষ্ণা ও মাশুরাকে পাইনি। ম্যাচের আগে ৫ দিন পেয়েছি। ওদের চোট ছিল। ফিজিও চেষ্টা করেছে দ্রুত সুস্থ করে দিতে। আসলে জোড়াতালি দিয়ে খেলা হয় না।’
তবে এই দল নিয়ে সামনের দিকে আশাবাদী লিটু। বলেছেন, ‘সিনিয়র ও জুনিয়রদের সমন্বয়ে একটা দল হয়েছে। সামনে সময় পেলে ভালো হবে। নেপাল আমাদের বিপক্ষে ১১টি ম্যাচ খেলেছে। ৭টি জিতেছে। তিনটি ড্র। একটা হেরেছে ওরা। ওদের র্যাঙ্কিং ১০১, আমরা ১৪০তম। বিবেচনা করলে কিছুটা পিছিয়ে আছি। তবে আহামরি কোনও দল নয়। আসলে এমন ম্যাচ নিয়মিত আয়োজন করলে ভালো হয়। গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় না থাকলে সমস্যা। স্বপ্না-আঁখিরা না থাকায় ভুগেছি। তবে যে কোনও হার মেনে নেওয়া যায় না।’
সানজিদা আক্তারও মনে করছেন দীর্ঘদিন না খেলার কারণে ম্যাচের ফলে প্রভাব পড়েছে, ‘আমরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি। নেপাল তিন-চারটা প্রীতি ম্যাচ খেলেছে। আমরা কিছুই খেলিনি। যে পাকিস্তানের জালে আমরা অনেকগুলো গোল দিয়েছিলাম, সেই দলও অনেক প্রীতি ম্যাচ খেলেছে। কিন্তু আমরা খেলিনি। পার্থক্যটা এখানেই। ছোটন স্যারকে আমরা অনেক মিস করি। আজ তিনি, পল স্যার (পল স্মলি) ডাগআউটে থাকলে অন্যরকম ফলও হতে পারতো। তাছাড়া আমাদের দলে আখি নেই, স্বপ্না নেই। ওরা থাকলেও হয়তো ম্যাচের রেজাল্ট অন্য রকম হতে পারতো।’