ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম ক্লাবের একটি ইস্টবেঙ্গল। গতকাল কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি ১০৪তম বর্ষে পদাপর্ণ করেছে। এমন উপলক্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে বাংলাদেশের ৫জনকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ সম্মাননা। যার মধ্যে ৪জনই ছিলেন ফুটবল অঙ্গনের। সাবেক তিন ফুটবলারের সঙ্গে একজন ক্রীড়া সংগঠক। তারা হলেন- শেখ মো. আসলাম, প্রয়াত মোনেম মুন্না, গোলাম গাউস ও আবাহনীর হারুনুর রশিদ। আরেকজন হলেন সংগীত শিল্পী মেহরীন মাহমুদ।
তিন দশক আগে বাংলাদেশের এই মুন্না ইস্টবেঙ্গলে খেলতে এসে এপার বাংলার ফুটবল প্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছিলেন। ক্লাবে তার অবদানের কথা ভুলে যাননি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। আর ভুলে যাননি বলেই বুধবার ইস্টবেঙ্গলের ১০৪তম জন্মদিনে ইয়াসমিন, গাউস, আসলামদের সম্মানে-আবেগে ভাসালেন কর্তারা। একে একে ইয়াসমিন, গোলাম গাউস, শেখ মোহাম্মদ আসলাম, আবাহনী ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ এবং সংগীত শিল্পী মেহরীনকে বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করা হল।
ইস্টবেঙ্গলের ১০৪ তম জন্মদিনে বিকাল থেকেই প্রবল বৃষ্টি। সেই বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শামিল হলেন এক ঝাঁক প্রাক্তন ফুটবলার থেকে ক্রীড়া প্রশাসক, মন্ত্রীরা। কে আসেননি? মন্ত্রীদের মধ্যে হাজির ফিরহাদ হাকিম, সুজিত বসু, অরূপ বিশ্বাস, পার্থ ভৌমিক, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, তাপস রায়। এসেছিলেন অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে, সচিব সাজি প্রভাকরণসহ অন্যান্য পদাধিকারীরা। ছিলেন আইএফএ সচিব ও সভাপতি অনির্বান দত্ত, অজিত ব্যানার্জি। মোহনবাগান ও মোহামেডান থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলেন স্বপন ব্যানার্জি, কামারউদ্দিন এবং ইসতিয়াক আহমেদ। ছিলেন আইপিএল কাউন্সিল কমিটির সদস্য অভিষেক ডালমিয়া, সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। আরও ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের বর্তমান দুটি দলের ফুটবলার এবং কোচেরা। অনুষ্ঠানের শুরু ও শেষে গান গেয়ে আসর মাতিয়েছেন বাংলাদেশের সংগীত শিল্পী মেহরীন।