এএফসি কাপের প্রিলিমিনারি পর্বে প্রথমার্ধে মালদ্বীপের ক্লাব ঈগলসের বিপক্ষে এক গোলে এগিয়ে ছিল আবাহনী লিমিটেড। গ্রানাডার স্ট্রাইকার কর্নেলিয়াস স্টুয়ার্ট গোল পেয়েছিলেন। তবে অতিথিরা বিরতির পর সমতায় ফিরলেও ব্রাজিলিয়ান দানিলো অগাস্তো আবাহনীর হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন। তাতে শেষ মুহূর্তের গোলে ঈগলসকে ২-১ এ হারিয়ে প্লে অফে জায়গা করে নিয়েছে আবাহনী।
সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে কর্দমাক্ত মাঠে ম্যাচের শুরু থেকে আবাহনী আক্রমণে যায়। দলে নতুন দুই ব্রাজিলিয়ান নেই। তাদের ছাড়াই অন্য ৬ বিদেশি নিয়ে খেলেছে মারিও লেমসের দল।
ম্যাচ ঘড়ির ৫ মিনিটে মুজাফররভের একটি প্রচেষ্টা গোলকিপার হাত উঁচিয়ে গোল হতে দেননি। ১৫ মিনিটে আবারও মুজাফররভের বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট গোলকিপার ঝঁপিয়ে পড়ে রুখে দেন।
২০ মিনিটে আবাহনী গোলের দেখা পায়। ডেভিড ওজুকুর মাপা ক্রসে গ্রানাডিয়ান স্ট্রাইকার লাফিয়ে উঠে হেডে জাল কাঁপান। ৪৫ মিনিটে ওজুকু ডেভিডের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে গেলে ব্যবধান বাড়ানো যায়নি।
বিরতির পর খেলা জমে ওঠে। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ করে খেলেছে দুই দল। ৫৬ মিনিটে মালদ্বীপ ক্লাব সুযোগ পায় গোল শোধের। দলের অধিনায়ক আহমেদ রিজোয়ানের শট উড়ে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।
৬৪ মিনিটে ঈগলস ম্যাচে সমতায় ফেরে। মিলোভান পেট্রোভিচের ফ্রি কিকে দৌঁড়ে এসে ফাঁকায় চলতি বলে পা চালিয়ে দেন আহমেদ রিজোয়ান নিজেই। ৭৩ মিনিটে আবাহনী ব্যবধান বাড়ানোর কাছাকাছি পোঁছে গিয়েছিল। কর্নেলিয়াস একক প্রচেষ্টায় বক্সে ঢুকে গোলকিপারের পাশ দিয়ে শট নিলেও গোল বঞ্চিত থাকতে হয়েছে। গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে বলের দিক পরিবর্তন করে দেন। ৮১ মিনিটে মালদ্বীপের একজনের হেড সাইডবারে লেগে প্রতিহত হয়। পরের মিনিটে ফ্রি কিক থেকে আবাহনীর মিলাদের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ভালো সুযোগ ছিল।
৮৯ মিনিটে আবাহনী জয়সূচক গোল পায়। মুজাফফরভের কর্নারে ব্রাজিলিয়ান দানিলোর হেডে স্বাগতিক দলের সমর্থকদের মুখে চওড়া হাসি।
২২ আগস্ট ভারতের মোহনবাগান ও নেপালের মাচিন্দ্রা এফসির মধ্যে বিজয়ী দলের বিপক্ষে খেলবে আবাহনী লিমিটেড।