বার্সেলোনার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কে ইতি টানতে হয়েছিল বাধ্য হয়ে। প্রায় দেড় যুগ ধরে চেনা শহর স্পেন ছেড়ে পাড়ি দেন ফ্রান্সে। ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে যোগ দিয়ে মনের মতো কিছুই হয়নি। বরং জুটেছে নিজ ক্লাবের সমর্থকদের কাছ থেকে অপমান আর ভর্ৎসনা। ইন্টার মায়ামিতে যুক্ত হয়ে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে লিওনেল মেসি বললেন, পিএসজিতে যেতে হয়েছিল ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
সেই দিনটির কথা মনে করে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড বললেন, ‘প্যারিসে আমার যাওয়া এমন কিছু ছিল না, যা আমি চেয়েছিলাম। আমি বার্সেলোনা ছাড়তে চেয়েছিলাম না। বলতে গেলে হুট করে হয়ে গেলো।’
প্যারিসে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছিল খুব কঠিন, বললেন মেসি, ‘আর হ্যাঁ, আমাকে এমন একটা জায়গার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হতো, যেটা ছিল আমার সারা জীবন বসবাস করা জায়গার চেয়ে একেবারে ভিন্ন, সেটা শহর এবং ক্রীড়া অনুভূতি দুই দিক থেকে।’
দুই বছর পর পিএসজি ছেড়ে এবার নতুন গন্তব্যে মেসি। একেবারে ভিন্ন মহাদেশ। কিন্তু আমেরিকার ফ্লোরিডার জীবনে মানিয়ে নিতে কোনও সমস্যাই হয়নি তার। বরং তার ছোঁয়ায় বদলে গেছে ইন্টার মায়ামির ভাগ্য। ছয় ম্যাচে নবম গোল করে দলকে প্রথমবার লিগস কাপের ফাইনালে তুলেছেন ৩৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। প্যারিস আর ফ্লোরিডার জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টিকে মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ বললেন মেসি, ‘এটা ছিল কঠিন (প্যারিসে মানিয়ে নেওয়া), আমার সাথে এখানে উল্টো ব্যাপার হচ্ছে।’
মায়ামিতে উপভোগ্য সময় কাটাতে চান বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনার অধিনায়ক, ‘এখানে আসার সিদ্ধান্ত অনেক কিছুর ওপর নির্ভরশীল ছিল। আমার পরিবার ছিল এই সিদ্ধান্তের অংশ। আমি এটা (এমএলএস অ্যাম্বাসেডর) নিয়ে ভাবিনি। এখানে এসেছি খেলতে। আমি খুশি এবং নিজেকে উপভোগ করে যেতে উন্মুখ হয়ে আছি।’