মালদ্বীপে এএফসি কাপ শেষে বিমানবন্দরে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছিলেন বসুন্ধরা কিংসের ৫ ফুটবলার। এর জন্য গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো, দুই ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ও রিমন হোসেন, ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিন ও তৌহিদুল আলম সবুজকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাব থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বিষয়টি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে জানানো হয়েছিল। আজ বাফুফের সভাতে নিষিদ্ধ খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে না নেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।
আজ সভা শেষে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন,'মূলত এটা কোচের সিদ্ধান্ত। তবে আমার মনে হয় না তাদের দলে নেওয়া হবে। একটা ক্লাব যখন শৃঙ্খলাজনিত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, চিঠি দিয়ে ফেলেছে তখন কোচের জন্যও সেই খেলোয়াড়দের দলে রাখা কঠিন।’
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে এই মাসেই রয়েছে মালদ্বীপের বিপক্ষে দুটি হোম এন্ড অ্যাওয়ে ম্যাচ। সেটা মাথায় রেখে হাভিয়ের কাবরেরার অধীনে অনুশীলন চলছে।
এদিকে কোচ হাভিয়ের কাবরেরাও নাকি চান না জিকো-মোরসালিনরা লাল সবুজ দলে থাকুন। আজ সকালে বাফুফে ভবনে এসে এই ফুটবলারদের জাতীয় দলের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে গেছেন স্প্যানিশ কোচ। প্রায় ১৫ দিন অনুশীলনের মধ্যে ছিলেন না ফুটবলাররা। তাদের মালদ্বীপ ম্যাচেও নাকি দেখতে চান না কাবরেরা।
নির্বাহী কমিটির সভায় আজ উপস্থিত ছিলেন বাফুফে সহসভাপতি ও বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসানও। খেলোয়াড়দের সঙ্গে ক্লাবের কোনও কর্মকর্তা শৃঙ্খলা ভেঙেছেন কিনা তা উদঘাটনে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইমরুল বললেন, ‘অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। প্রতিবেদন পাওয়ার পরই আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবো।’