মালদ্বীপের মাঠে জিততে পারবে তো বাংলাদেশ? 

মালদ্বীপের মাঠে বাংলাদেশ ফুটবল দলের জয়ের রেকর্ড নেই। এখন পর্যন্ত মালেতে হার কিংবা ড্র- এটাই তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য। কাল বৃহস্পতিবার দুই দল আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। এবার উপলক্ষ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্লে-অফ পর্ব। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ম্যাচ দুটিতে জিততে পারলেই পরের পর্বে ৬টি ম্যাচ খেলার সুযোগ। না হলে এক বছর ফিফা এএফসির ম্যাচ থেকে দূরে থাকতে হবে। বাংলাদেশ কি পারবে ভাগ্য বদলে সেই সুযোগ লুফে নিতে? কাল মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকাল ৫টার ম্যাচে মিলবে এর উত্তর। 

মালদ্বীপের বিপক্ষে একসময় একচেটিয়া জয় পেতো বাংলাদেশ। তবে দুই যুগের বেশি সময় ধরে লড়াইটা হচ্ছে সমানতালে। পরিসংখ্যানে অবশ্য বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে। ১৬ ম্যাচের ৭টিতে জিতেছে বাংলাদেশ, মালদ্বীপের জয় ৬টি। ড্র হয়েছে ৩টি।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সবশেষ বেঙ্গালুরুতেও বাংলাদেশ ৩-১ গোলে ম্যাচ জিতেছিল। এবার মালেতে জিততে পারলে বাংলাদেশ নতুন ইতিহাস রচনা করবে। মালদ্বীপের মাটিতে প্রথমবারের মতো করবে বিজয় উৎসব। সেজন্য জন্য দলও প্রস্তুত। লাল সবুজ দলের কোচ হাভিয়ের কাবরেরা বুধবার মালেতে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘প্রথম লক্ষ্য বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পরের ধাপে কোয়ালিফাই করা। কেননা, সেটা করতে পারলে পরের ধাপে আমরা খুবই শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাবো। যেটা আমাদের আরও ভালো দল হয়ে ওঠার জন্য প্রেরণা দেবে।’

জাতীয় দলের কোচ হাভিয়ের কাবরেরাএই ম্যাচের আগে জামাল-হৃদয়দের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হতেও নিষেধ করেছেন স্প্যানিশ কোচ। তার কথা, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং আফগানিস্তান ম্যাচের পর সম্ভবত আমরা আত্মবিশ্বাসের সেরা পর্যায়ে আছি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, যদি আমরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হই, তাহলে মালদ্বীপ চেপে বসার সুযোগ পাবে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে আমাদের।’

প্রতিপক্ষ মালদ্বীপকে সমীহ করে কাবরেরা বলেছেন, ‘আমরা মালদ্বীপকে খুব ভালোভাবে জানি, তাদের সামর্থ্য সম্পর্কেও। নিজেদের খেলা নিয়ে আমরা আত্মবিশ্বাসী, কিন্তু কাল কাদের মুখোমুখি হচ্ছি সে বিষয়ে ভীষণ সচেতন। মালদ্বীপের প্রতি আমাদের অনেক শ্রদ্ধা আছে, তারপরও আশা করি আমরা ভালো ফল পাবো এবং ধারাবাহিকভাবে বেড়ে উঠবো।’