দুই হলুদ কার্ডের কারণে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে রাকিব হোসেন ও সাদ উদ্দিন খেলতে পারেননি। তবে মাঠে বসে বাংলাদেশের খেলা দেখেছেন। কিছুটা টেনশন ছিল, দল কেমন ফল করে। পিছিয়ে থেকে শেখ মোরসালিনের বুলেট গতির গোলে বাংলাদেশ দলে সমতা আসার পর স্বস্তি পেয়েছেন রাকিবসহ সবাই।
ফরোয়ার্ড রাকিব হোসেন যেমন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘নিজের কাছেই খারাপ লেগেছে। কার্ড দেখার কারণে খেলতে পারিনি। আগে নিয়মটা জানতে পারলে ভালো হতো। নিজে খেলতে পারলে হয়তো কিছু একটা করার সুযোগ ছিল। তবে না থেকেও টেনশন নিয়ে খেলা দেখেছি। শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়ে সবাইকে মাঠ ছাড়তে দেখে ভালো লেগেছে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৭৯ ধাপ এগিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে লড়াই করে পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়া কম কথা নয়।’
নিজের না খেলার আফসোসটা এখনও আছে রাকিবের, ‘এই ম্যাচ খেলতে পারবো না, তা ঢাকায় এসে শুনেছি। তখনই মনে হচ্ছিল অনেক কিছু শেষ হয়ে গেলো। তবে আশার কথা আমার সতীর্থরা দুর্দান্ত খেলে হাজারো সমর্থকদের মন ভরিয়ে দিয়েছে। দল দারুণ পারফরম্যান্স করে দেখিয়েছে।’
শেখ মোরসালিনের ডি বক্সের প্রায় ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া বুলেট গতির শটে গোলটি এখনও সবার চোখে লেগে আছে। রাকিবও প্রশংসায় ভাসালেন তাকে, ‘ওর গোলটি দারুণ হয়েছে। যেভাবে ও গোল করেছে তা দেখার মতোই। এমন গোল সচারচর ঢাকার মাঠে কমই হয়। যদিও মোরসালিন আগেও এভাবে গোল দিয়েছে। আসলে ও একজন দারুণ ফুটবলার। অন্য মাপেরও।’
মোরসালিন খেলেন বসুন্ধরা কিংসে। সেই দলের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজনও খুশি, ‘মোরসালিনকে কোচ ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারছেন। ও যেভাবে গোল করেছে তাতে করে প্রতিপক্ষের কোনও ডিফেন্ডার কিংবা গোলকিপার তাকে আটকানোর সুযোগ পায়নি। মোরসালিন আসলে অ্যাটাকিং থার্ডে অন্যরকম একজন খেলোয়াড়। বক্সের বাইরে থেকে দারুণ খেলতে পারে। বলের সঠিক ব্যবহার করতে পারে।’
এছাড়া হাভিয়ের কাবরেরাসহ অন্যরাও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন, ‘ও ভালো খেলেছে। ভালো খেলে গোল করেছে। সামনে ও আরও ভালো করবে। ওর এখন সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময়।’
১৮ বছর বয়সী মোরসালিনের এখন সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পালা।