মনিকা-ঋতুপর্ণাদের উত্তরসূরিদের খোঁজে বাফুফে

বর্তমান নারী ফুটবল দলে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বেশ কয়েকজন নারী ফুটবলার জাতীয় পর্যায়ে খেলছেন।  এর মধ্যে মনিকা চাকমা-ঋতুপর্ণা চাকমা-রুপনা চাকমা অন্যতম। বিভিন্ন টুর্নামেন্টের মাধ্যমে নিজেদের বিকশিত করে এরা বর্তমানে  জাতীয় দলে খেলেছেন।

এবার তাদের উত্তরসূরির খোঁজে এএফসির সোশাল রেসপন্সিবিলিটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রথমবারের পার্বত্য অঞ্চলে প্রতিভা বাছাই করতে যাচ্ছে বাফুফে। 

তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান থেকে ১৫ জন করে মোট ৪৫ জন খেলোয়াড় বাছাই করা হবে। পরবর্তীতে এখান থেকে ১২ জন নিয়ে তাদের এক বছরের জন্য লেখাপড়ার খরচ দেওয়া হবে। সেখান থেকে ৩ জন খেলোয়াড় বাছাই করে ঢাকায় এনে বাফুফে ভবনে আবাসিক ক্যাম্পে রেখে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এই কর্মসূচি শুরু হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর। বাফুফের নারী উইং কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘এএফসির প্রজেক্টের অধীনে আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রতিভা বাছাই করতে যাচ্ছি। শুরুতে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে বলবো ১৫ জন করে খেলোয়াড় বাছাই করতে। এরপর আমরা ধাপে ধাপে কমাবো। সবশেষ তিন জন খেলোয়াড়কে আমাদের ক্যাম্পে নিয়ে আসবো। এতে করে নতুন খেলোয়াড় উঠে আসবে।’

আজকের নারী উইং কমিটির সভায় জাতীয় নারী দলের ফিফা প্রীতি ম্যাচ আয়োজন নিয়ে কথা হয়েছে। সৌদি আরবের ব্যস্ততার কারণে ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে আসিয়ান অঞ্চলের কোনও একটি দেশ।