শেখ রাসেল শুরুর দিকে সুযোগ পেলো। কিন্তু গোল করে এগিয়ে যেতে পারেনি। বসুন্ধরা কিংস সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচ জিতে নিয়েছে। শেষের দিকে ১০ জন নিয়ে খেলেছে তারা। শেখ রাসেলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে কিংস। আসরোর গফুরভের গোলে গ্রুপ সেরা হয়ে ফেডারেশন কাপের নকআউট পর্বে উঠলো তারা।
মুন্সীগঞ্জের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ‘সি’ গ্রুপে অস্কার ব্রুজনের দল দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা। ‘এ’ গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ফর্টিস এফসি। আগে শেখ রাসেলকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পাওয়া ৩ পয়েন্টের সুবাদে গ্রুপ রানার্সআপ হয়েছে তারা।
শেখ রাসেলের শুরুতে গোল পেলে ফল অন্যকরম হতে পারতো।। ১১ মিনিটে সুলেমানে ল্যান্ড্রির জোরালো ফ্রি কিক বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নার করে দেন নিয়মিত গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকোর বদলে সুযোগ পাওয়া মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
২২ মিনিটে আবারও সুযোগ আসে শেখ রাসেলের সামনে। বক্সে কাজী তারিক রায়হান পিছলে পড়লে বলের নিয়ন্ত্রণ পান দীপক রায়। তার পাসে আতান্ডা ওগুংবে বাড়ান ল্যান্ড্রিকে। ভালো জায়গায় থেকেও বুরুন্ডির এই ফরোয়ার্ড বল মারেন পোস্টের বাইরে।
৩৬ মিনিটে দুরূহ কোণ থেকে করা গফুরভের গোলে এগিয়ে যায় কিংস। রবসন দি সিলভা রবিনিয়োর পাসে বাম দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন গফুরভ। গায়ের সঙ্গে লেগে থাকা ডিফেন্ডার তানভির হোসেনকে কাটাতে গিয়ে চলে যান কিছুটা দুরূহ কোণে। সেখান থেকেই নেওয়া উজবেকিস্তানের এই মিডফিল্ডারের শট দূরের পোস্ট দিয়ে জড়ায় জালে।
৫৫ মিনিটে বাইলাইনের একটু ওপর থেকে রবিনিয়োর গোলমুখে বাড়ানো আড়াআড়ি ক্রস আটকান শেখ রাসেল গোলকিপার রাকিবুল হাসান।
শেষ দিকে মিগেল দামাশেনো লাল কার্ড দেখেন। অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের কারণে এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন রেফারি।
দিনের অন্য ম্যাচে, গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ও বাংলাদেশ পুলিশ এফসির ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে। এই ড্রয়ের ফলে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে শেখ জামাল। ২ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্বে পুলিশ এফসি।