শীর্ষে উঠে আবার লিভারপুলের পেছনে পড়লো ম্যানসিটি

পায়ের পাতার হাড় ভেঙে যাওয়ায় প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে ছিলেন আর্লিং হাল্যান্ড। চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার পর শনিবার প্রথম গোলের দেখা পেলেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার। অবনমনের শঙ্কায় থাকা এভারটনকে ২-০ গোলে হারাতে দুইবার জাল কাঁপান তিনি। তাতে করে শীর্ষে উঠেছিল ম্যানসিটি। কিন্তু লিভারপুল জিতে এক নম্বর আসন কেড়ে নিয়েছে।

প্রথমার্ধে ম্যানসিটিকে কোনও শট নিতে দেয়নি এভারটনের জমাট রক্ষণভাগ। ২০২২ সালের আগস্টে সবশেষ ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ঘরের মাঠে লিগে প্রথমার্ধে লক্ষ্যে শট নিতে ব্যর্থ হয়েছিল সিটিজেনরা। দ্বিতীয়ার্ধে হয়েছিল ছয় গোল, ম্যানচেস্টার ক্লাব জিতেছিল ৪-২ গোলে।

এবারও একই ঘটনার অবতারণা হলো। বল দখলে ম্যানসিটি ৭২.৫ শতাংশে এগিয়ে থাকলে লক্ষ্যে মাত্র তিনটি শট নিতে পেরেছে, সবগুলোই দ্বিতীয়ার্ধে। আর সঠিক সময়ে ফর্মে ফিরে দলকে জেতালেন হাল্যান্ড। ৭১তম মিনিটে কর্নার কিক থেকে উড়ে আসা বলে সিটির প্রথম শটেই গোলমুখ খোলেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার।

নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে মাঝমাঠ থেকে কেভিন ডি ব্রুইনার পাস ধরে জ্যারাড ব্র্যান্টওয়েটকে কাটিয়ে কিপার জর্ডারন পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন হাল্যান্ড।

দ্বিতীয়ার্ধে মৌসুমের ১৫তম ও ১৬তম গোল করে লিগের শীর্ষ গোলদাতার আসনে বসলেন হাল্যান্ড। একই সঙ্গে ২৩ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের এক নম্বরে উঠে যায় হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু ঘণ্টাখানেক পর তাদের কাছ থেকে শীর্ষস্থান কেড়ে নিয়েছে লিভারপুল। বার্নলিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আবার এক নম্বরে উঠে গেছে অলরেডরা। ২৪ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট লিভারপুলের।

৩১ মিনিটে ডিওগো জোতা কর্নার থেকে হেড করে জাল কাঁপান। বিরতির ঠিক আগে ডারা ও’শিয়া বার্নলিকে সমতায় ফেরালেও দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে লিভারপুল। ৫২ মিনিটে হার্ভি এলিয়টের বাড়ানো বল হেড করে জালে জড়ান। নুনেজও হেড করে ৭৯ মিনিটে সহজ জয় নিশ্চিত করেন।