প্রথম ম্যাচে ফেনী সকার ক্লাবের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে মৌসুমের প্রথম জয় পেয়েছে ঢাকা আবাহনী। ৫-০ গোলের বড় জয়ে কেএফসি স্বাধীনতা কাপে আজ শনিবার টিম বিজেএমসিকে উড়িয়ে দিয়েছে আকাশী-নীল জার্সিরা।
আবাহনীর পাঁচটি গোলই করেছেন তিন বিদেশি ফরোয়ার্ড, লি টাক, কামারা সাররা ও সানডে চিজোবা। দুটি করে গোল করেছেন কামারা সাররা ও সানডে চিজোবা। দ্বিতীয়ার্ধে স্যামসন ইলিয়াসুর লাল কার্ডে অবশ্য দশ জনের দলে পরিণত হয় বিজেএমসি আর তাতে আরও দাপুটে হয়ে ওঠে আবাহনী।
ম্যাচের ২০ মিনিটে লিড নেয় আকাশী নিল শিবির। বাম প্রান্ত থেকে নেওয়া ওয়ালী ফয়সালের ফ্রি কিকে হেড করেছিলেন সেনেগালিজ ফরোয়ার্ড কামারা সাররা। বিজেএমসির ডিফেন্স লাইন প্রতিহত হয়ে বল এসে পড়ে ইংরেজ ফরোয়ার্ড লি টাকের পায়ে। ঠাণ্ডা মাথায় ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষকের মাঝ দিয়ে বল জালে জড়ান লি টাক।
৩০ মিনিটে আবারও গোল উৎসবে মাতে আবাহনী। এবারও উৎস লি টাক। গোলদাতা সেনেগালিজ কামারা সাররা। ডান প্রান্ত থেকে মাপা কর্নারে দীর্ঘদেহী ফরোয়ার্ড কামারার জালে বল পাঠিয়ে দিতে কষ্ট হয়নি। ৩৭ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল বিজেএমসি। নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার এলিটা কিংসলে বল নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন আবাহনী শিবিরে। তবে আগুয়ান গোলরক্ষক সুলতান আহমেদ শাকিলের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে তিনি বল জালে ঠেলতে পারেননি। শাকিল কর্নারের বিনিময়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন। খেলার ৫১ মিনিটে আবাহনী বক্সে বল দখলের চেষ্টায় গোলরক্ষক শাকিলের সঙ্গে সংঘর্ষে আঘাত পেয়ে পড়ে যান বিজেএমসির নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার স্যামসাং ইলিয়াসু। ডাইভিংয়ের অভিযোগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে তাকে মাঠ থেকে বের করে দেন রেফারি জালালউদ্দিন।
৬৮ মিনিটে সানডে চিজোবা বাম প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে বা পায়ে বল প্লেসিং করেন। গোলরক্ষক হিমেল ফিস্ট করলেও ফিরতি বলে হেড করে দলের তৃতীয় ও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কামারা সাররা। টুর্নামেন্টে এটি তার তৃতীয় গোল। ৮৩ মিনিটে বক্সের উপর থেকে সানডে চিজোবার কোনাকুনি শট জালে প্রবেশ করে। ৮৯ মিনিটে ফের গোল করেন সানডে চিজোবা। দুই ম্যাচ শেষে আবাহনীর পয়েন্ট চার। তিন ম্যাচ শেষে বিজেএমসির পয়েন্ট তিন। বি গ্রুপে শেখ রাসেল দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে।
/আরএম/এমআর/