যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশেও কমবেশি ছড়িয়ে পড়েছে। তার মধ্যে জর্ডান অন্যতম। মাঝে মধ্যেই দেশটিতে ইরানের হামলার ঘটনা ঘটছে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে এবং পরে বৃহস্পতিবার মার্কিন ঘাঁটিতে বোমা হামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক থাকলেও সেখানে খেলতে যেতে হচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে।
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল ফিফার নিষেধাজ্ঞায় থাকায় এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে অভিষেক হচ্ছে ফর্টিস এফসি ও বাংলাদেশ পুলিশ এফসির। দুটি দলকেই খেলতে হবে প্লে-অফের কঠিন লড়াই। ফর্টিস এফসির প্রতিপক্ষ কিরগিজস্তানের মুরাস ইউনাইটেড এফসি। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ফর্টিস এফসির চেনা মাঠ বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায়।
অন্যদিকে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে পাড়ি দিতে হবে সুদূর জর্ডান। সেখানে সিরিয়ার আল-ইত্তিহাদ আহলি অব আলেপ্পোর বিপক্ষে খেলবে তারা। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আম্মানের কিং আব্দুল্লাহ স্টেডিয়ামে। দুটি প্লে-অফ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে ১১ আগস্ট।
জর্ডানে যুদ্ধাবস্থা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আগেই এএফসিকে বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাব দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ পুলিশ এফসি। তবে এএফসি তাতে কর্ণপাত করেনি। ফলে বাধ্য হয়েই জর্ডানে গিয়ে খেলতে হচ্ছে দলটিকে।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ এফসির ম্যানেজার আহসান উদ্দিন সামি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমরা এএফসির কাছে আগেই চিঠি দিয়ে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে রেখেছিলাম। প্রয়োজনে ভেন্যু বদলের কথাও উল্লেখ করেছিলাম। কিন্তু তারা সেখানকার নিরাপত্তা নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে। তাই আমাদের সেখানেই এএফসির খেলা খেলতে হবে।’
পুলিশ এফসির কোচ আরিফুজ্জামান বলেছেন, ‘জর্ডানে খেলা নিয়ে কিছুটা আতঙ্ক তো থাকেই। তবে আমরা সবাই খেলার জন্য তৈরি। এছাড়া আমাদের হাতে বিকল্প কিছু নেই।’
ছয় বিদেশি খেলোয়াড় নিয়ে সিরিয়ার ক্লাবটির বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ পুলিশ এফসি।