সামনে তিন প্রতিপক্ষই র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে। তার ওপর মঞ্চটাও বিশাল, ৭৭ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার গ্যালারি। প্রতিকূলতার হিসাবটা তাই কম নয় বাংলাদেশের জন্য। তবে প্রতিপক্ষের র্যাঙ্কিং কিংবা ঘরের মাঠের দর্শক কোনও কিছুতেই আগেভাগে হাল ছাড়তে রাজি নন বাংলাদেশের অধিনায়ক। বরং ফিফা আসিয়ান কাপে অন্তত এক-দুটি ম্যাচ জিতে দেশে ফেরার লক্ষ্য লাল-সবুজ দলের।
ফিফা আসিয়ান কাপে ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে আছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। শুক্রবার মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের মাঠের লড়াই। এরপর সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে খেলবে তারা।
বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচই হবে জাকার্তার ৭৭ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে। বিশাল এই মাঠে বড় পরীক্ষার সামনে দাঁড়ানোর আগে আত্মবিশ্বাসের কথাই শুনিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।
জাকার্তায় আজ টুর্নামেন্টের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ায় আসতে পেরে ভালো লাগছে। আমরা আরও কিছুটা আগে আসতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ভিসা-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে আসতে পারিনি। তবে অবশেষে আমরা এখানে এসেছি। কোচ যেমন বলেছেন, আমরা মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে তিনটি ম্যাচের জন্য মুখিয়ে আছি। আমরা জানি, এটি কঠিন হতে যাচ্ছে। তবে আমরা নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখি এবং আমাদের ভালো আত্মবিশ্বাস রয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, এটি কঠিন হবে।’
শুধু আসিয়ান কাপ নয়, সামনে থাকা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতিও এই টুর্নামেন্ট থেকে নিতে চাইছেন ৩৬ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। এক মাস পরই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, যেটিকে বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন তিনি।
অধিনায়কের ভাষায়, ‘সফল হতে হলে আপনি প্রতিযোগিতা করতে চাইবেন, ভালো ম্যাচ খেলতে চাইবেন। কোচ যেমন বলেছেন, এটি আমাদের জন্য একটি প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট, কারণ এক মাসের মধ্যে আমাদের সাফ টুর্নামেন্ট রয়েছে, যা আমাদের মূল লক্ষ্য। তবে অবশ্যই, একটি দল হিসেবে আমরা প্রতিযোগিতা করতে চাই। আর যদি আমরা কয়েকটি পয়েন্ট পেতে পারি বা এক-দুটি ম্যাচ জিততে পারি, তবে তা আমাদের জন্য খুবই সফল একটি সফর হবে।’