তোরেসের আসার আগে পিএসজির নজরে ছিলেন যে তারকা

একজনকে পেতে ৭৪ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই। আরেক জনকে পাওয়ার দরজা খুলেও শেষ পর্যন্ত ফিরেছে অন্য পথে। গনসালো রামোসের জায়গা পূরণ করতে গিয়ে পিএসজির টেবিলে ছিল একাধিক নাম। সেই তালিকায় ছিলেন আতালান্তার বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড শার্ল ডে কেতেলারে। এমনকি তাকে নিয়ে আলোচনাও হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফরাসি জায়ান্টরা বেছে নেয় বার্সেলোনার ফেরান তোরেসকে।

চলতি গ্রীষ্মে ৭৪ মিলিয়ন ইউরোতে মিলানে পাড়ি জমান রামোস। পিএসজিতে তার ভূমিকা ধীরে ধীরে সীমিত হয়ে পড়েছিল মূলত বদলি খেলোয়াড় হিসেবে। তার বিদায়ের পর নতুন একজন স্ট্রাইকারের সন্ধানে নামে প্যারিসের ক্লাবটি।

শেষ পর্যন্ত সেই জায়গায় ফেরান তোরেসকে বেছে নেয় পিএসজি। বার্সেলোনা থেকে আসা স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড অবশ্য নতুন ক্লাবে সময় নষ্ট করেননি। লিগ ওয়ানে প্রথম পাঁচ ম্যাচেই করেছেন চার গোল।

তবে তোরেসকে চূড়ান্তভাবে বেছে নেওয়ার আগে ডে কেতেলারে ছিলেন পিএসজির বিবেচনায়। বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন ২৫ বছর বয়সী এই বেলজিয়ান। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ফুট মেরকাতো’ জানিয়েছে, বেলজিয়ামের সংবাদপত্র ‘লা দেরনিয়ের এয়ার’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন তিনি।

ডে কেতেলারে বলেছেন, ‘কয়েকটি ক্লাব আগ্রহ দেখিয়েছিল। তবে বর্তমান বাজারে যেভাবে ট্রান্সফার ফি বেড়েছে, তাতে দলবদল করা সব সময় সহজ নয়। আমি জানি, আতালান্তা বড় অঙ্কের অর্থ চেয়েছিল। আমার ধারণা, সেটা প্রায় ৫০ মিলিয়ন ইউরোর মতো।’

পিএসজির সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। ডে কেতেলারে বলেছেন, ‘প্রিমিয়ার লিগে এমন কয়েকটি ক্লাব আছে, যারা এই অঙ্কের অর্থ দিতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি। আমি প্যারিস সেন্ট জার্মেইর সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত তারা ফেরান তোরেসকে বেছে নিয়েছে।’

অবশ্য পিএসজিতে যেতে না পারলেও আতালান্তায় থেকে খুশি ডে কেতেলারে। নিজের বর্তমান অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্টির কথাই জানিয়েছেন, ‘আমি এখানে খুশি। আমি জানি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে থাকাটা কতটা মূল্যবান। মিলানে থাকাকালীনই বিষয়টি বুঝেছি। একদিন শিরোপার জন্য লড়াই করতে চাই, সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমার আছে। তবে আমার বয়স এখন ২৫, সামনে এখনও অনেক সময় পড়ে আছে।’