কম্বোডিয়াকে হারিয়ে আসিয়ান চ্যালেঞ্জ কাপ চ্যাম্পিয়ন হংকং

ফাইনালে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল হংকং চায়না। প্রথমার্ধে ম্যাট ওরের গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে ভিএআরের সহায়তায় পাওয়া পেনাল্টি থেকে এভারটন কামার্গোর স্কোরে শেষ পর্যন্ত কম্বোডিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফিফা আসিয়ান চ্যালেঞ্জ কাপের শিরোপা জিতেছে হংকং।

শনিবারের ফাইনালে শুরু থেকে ম্যাচে বেশি আক্রমণাত্মক ছিল হংকং। নিয়মিতই তারা বিপজ্জনক জায়গায় উঠে যাচ্ছিল। বিশেষ করে উইঙ্গার এভারটন কামার্গো বারবার কম্বোডিয়ার রক্ষণে হুমকি তৈরি করছিলেন।

তবে ম্যাচের শুরুর বেশিরভাগ সময় দৃঢ়তার সঙ্গে রক্ষণ সামলেছে কম্বোডিয়া। লড়াকু মানসিকতা ও দৃঢ়তার পাশাপাশি পাল্টা আক্রমণেও তারা হংকংকে চাপে রাখার চেষ্টা করেছে।

শেষ পর্যন্ত বিরতির ঠিক আগে প্রতিরোধ ভাঙে কম্বোডিয়ার। সান মিং হিমের বাড়ানো ক্রস থেকে বাঁ পায়ের শটে বল জালে জড়ান ম্যাট ওর। এগিয়ে যায় হংকং।

ঘণ্টা পূরণ হওয়ার ঠিক আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করে হংকং। ফিলিপ চ্যানকে মেং চেং ফাউল করলে ভিএআর পর্যালোচনার পর হংকংকে পেনাল্টি দেন রেফারি। স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন এভারটন। ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে হংকংয়ের লিড ২–০ করেন তিনি।

কম্বোডিয়া তার পরও অবশ্য লড়াইয়ের চেষ্টা করেছে। ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল তারা। কর্নার থেকে সোকনেট হাভের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরে বদলি হিসেবে নামা টাই সাও খুব কাছাকাছি থেকে শট নেন, কিন্তু সেটিও লক্ষ্যের বাইরে চলে গেলে হতাশ হতে হয় তাদের।

ম্যাচের শেষ দিকে আরও বেশি খেলোয়াড়কে আক্রমণে পাঠায় কম্বোডিয়া। গোলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায়। কিন্তু হংকংয়ের রক্ষণ আর ভাঙতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় ধরে রেখে ফিফা আসিয়ান চ্যালেঞ্জ কাপের প্রথম আসরের শিরোপা নিশ্চিত করেছে হংকং চায়না। 

এদিকে, ফিফা আসিয়ান কাপ (যাকে মূল টুর্নামেন্ট বলা হচ্ছে) এর ফাইনালে ৫ অক্টোবর মুখোমুখি হবে ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড। বাংলাদেশকে ৯-২ গোলে হারিয়ে উদ্বোধনী আসরের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইন্দোনেশিয়া।