৩২ বছর আগের এশিয়া কাপ শুধু ঢাকায় নয়, সাড়া ফেলে দিয়েছিল সারা দেশে। সেসব দিনের স্মৃতি রোমন্থন করে হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাদেক দুঃখ ভারাক্রান্ত কণ্ঠে বললেন, ‘সর্বশেষ আমরা যখন এশিয়া কাপ আয়োজন করেছিলাম, তখন স্টেডিয়ামের গ্যালারি ছিল পরিপূর্ণ। দুঃখজনকভাবে নানা কারণে মানুষ হকিতে আগ্রহ হারিয়েছে। আশা করছি, এবারের আয়োজন ক্রীড়াপ্রেমীদের মনে হকি নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারবে।’
মূলত দর্শক না পাওয়ার শঙ্কায় গ্যালারি সবার জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সবাইকে নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন মাঠে। ঘরের মাঠে জিমি-চয়নদের যেমন ভালো খেলার তাড়না, তেমনি কর্মকর্তাদের সামনে টুর্নামেন্ট সফল করার চ্যালেঞ্জ। আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান শফিউল্লাহ আল মুনীর আশাবাদী, ‘আমাদের প্রত্যাশা অনেক দর্শক এসে বাংলাদেশকে উৎসাহ জোগাবে। আয়োজক হিসেবে আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন ও এশিয়ান হকি ফেডারেশনের আস্থা অর্জনের আশা করছি আমরা। এই টুর্নামেন্ট সফলভাবে করতে পারলে ভবিষ্যতে হয়তো ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের নিরপেক্ষ ভেন্যু হওয়ার সুযোগ পাবো আমরা। আমাদের লক্ষ্য সেটাই।’