আজ বিকাল ৩টায় মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিজয় দিবস হকির ফাইনালে ম্যাচ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল তার। উত্তরায় নিজস্ব নির্মাণাধীন ভবন দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে দুপুর দেড়টার দিকে হকি স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়ার সময়ই ঘটে এই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন বাংলা ট্রিবিউনের ডেপুটি নিউজ এডিটর তানজিমুল নয়ন। তিনি বলেন, ‘রাজলক্ষী কমপ্লেক্সের বিপরীত দিক থেকে রাস্তা পার হচ্ছিলেন মিলু। এসময় দ্রুতগামী একটি গাড়ি তাকে ও সামনের একটি মোটর সাইকেলকে পেছন থেকে ধাক্কা মারলে মিলু রাস্তার ওপরে এবং মোটর সাইকেল আরোহী বিপরীত দিকে ছিটকে পড়েন। আমি মিলুকে একটি ভ্যানে উঠিয়ে উত্তরা আধুনিক মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখানে তাকে প্রয়োজনীয় তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তখন পুলিশের সাহায্য চেয়েও পাইনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘মিলু সাহেবের পকেট থেকে মোবাইল নিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। যোগাযোগ হয় হকি ফেডারেশনের কর্মকর্তা হাসান আলির সঙ্গেও। পরবর্তীতে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে নেওয়া হয় অ্যাপোলো হাসপাতালে। সেখানেই তিনি মারা যান।’
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন মিলু মাথা ও পায়ে মারাত্মক আঘাত পেয়েছিলেন। তার প্রচুর রক্তক্ষরণও হয়েছে।
উল্লেখ্য, মিলু তার খেলোয়াড়ী জীবন শেষে সংগঠক হিসেবে হকিতে যুক্ত হন। তিনি ম্যাচ কমিশনার, আম্পায়ার ও অ্যাডজুডিকেটর হিসেবে দেশে ও বিদেশে বহুবার দায়িত্ব পালন করেছেন।
/আরএম/এফআইআর/