আজীবন নিষিদ্ধের কথা শুনে মালয়েশিয়ান কোচ বিব্রত, লজ্জিত!

দুদিন আগেই হকি ফেডারেশন নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাসহ ৩১জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে। এরমধ্যে প্রথমবারের মতো দেশে কোনও বিদেশি কোচকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার কোচ ইমান গোপিনাথন হলেন সেই কোচ। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের এমন সিদ্ধান্ত মিডিয়ার মাধ্যমে শুনে গোপিনাথন ভীষণ বিব্রত, লজ্জিত!

প্রিমিয়ার হকি লিগে মোহামেডানের হয়ে উপদেষ্টা কোচ হিসেবে কাজ করতে এসে মালয়েশিয়ার কোচকে আজীবন নিষিদ্ধ হতে হয়েছে। গোপিনাথন মালয়েশিয়া থেকে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আজীবন নিষিদ্ধের কথা শুনে আমি আমি বিব্রত, লজ্জিত, অবাকও। কেন এমনটি করা হয়েছে এখনও বুঝতে পারছি না। বাংলাদেশের জাতীয় দলের কোচ ছিলাম আমি। বিকেএসপিতে কোচিং করিয়েছি। এবার মোহামেডানের হয়ে কাজ করতে এসে কিনা বড়  শাস্তির মুখে পড়লাম। আমি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ থেকে শাস্তির চিঠি পাইনি। তবে মিডিয়ার মাধ্যমে শুনেছি, দেখেছি।’

বাংলাদেশের হকির ভাবমূর্তি নষ্ট করা ও ডিসিপ্লিন ভঙ্গ করার কারণে মূলত গোপিনাথনকে বড়রকমের শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে গোপিনাথন বলছেন, ‘আমি বাংলাদেশের কোনও ভাবমূর্তি নষ্ট করিনি। এই দেশের হকিতে যে সবসময় সম্ভাবনা আছে সেটাই বলে আসছি। আর প্রিমিয়ার লিগে দুর্বল আম্পায়ারিংসহ অন্য মন্তব্যে আমার মনে হয় না  ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার কথা। কেননা বাংলাদেশের হকির ভালোর জন্য তা আমি তুলে ধরেছিলাম। এছাড়া মাঠে ভিতরে আমি শুধু একবারই গেছিলাম। আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলতে।’

এরপরই অন্য যুক্তি তুলে ধরে গোপিনাথন বলেছেন, ‘আজীবন নিষিদ্ধ করতে হলে শোকজ কিংবা যে প্রক্রিয়া লাগে তা তো অনুসরণ করা হয়নি। ডিসিপ্লিনারি কমিটির নামও ঘোষণা করা হয়নি। অথচ আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন সহ সবজায়গায় তা আছে। যাই হোক চিঠি পাওয়ার পর কী করবো তা বলতে পারবো না। তবে আমি  নিজেকে নির্দোষ মনে করি। এখনও বুঝতে পারছি না কেন আমাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।'