ভারতের কাছে ১৩ গোলের বড় ধাক্কা খেয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সেই হতাশা পেছনে ফেলে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। জাপানের বিপক্ষে তিন কোয়ার্টার গোলশূন্য রাখার পর শেষ কোয়ার্টারে এক গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। তবে এই হারের দিনেই আন্তর্জাতিক হকিতে মাইলফলক স্পর্শ করেছেন সাবেক অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমি।
ভারতের জলন্ধরে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম তিন কোয়ার্টারে গোল করতে পারেনি কোনও দলই। দুই দলই রক্ষণ সামলে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করেছে। তবে শেষ কোয়ার্টারে গোল করে এগিয়ে যায় জাপান। পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ। কিন্তু জাপানের রক্ষণ ভেঙে গোল আদায় করতে পারেনি তারা। ফলে এক গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল জিমির কারণে। এদিন আন্তর্জাতিক হকিতে ক্যারিয়ারের ১৫০তম ম্যাচ খেলেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের (এফআইএইচ) হিসাব অনুযায়ী, এটি তার ১৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এই মাইলফলক উপলক্ষে টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটি তাকে স্মারক উপহার দিয়ে সম্মানিত করেছে।
তবে জিমি ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের হিসাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সংখ্যা দুই শতাধিক। ম্যাচের সংখ্যা ছাড়াও পারফরম্যান্স ও নিবেদনের মাধ্যমে দেশের হকিতে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা।
ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের হকিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা জিমি অবশ্য মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি শৃঙ্খলাজনিত বিভিন্ন ঘটনায়ও একাধিকবার নেতিবাচক শিরোনামে এসেছেন।