প্
ব্যতিক্রমী ও চল ছিল না বলেই প্রচার মাধ্যম ও সাধারণ দর্শকদের উৎসুক্য ছিল এর প্রতি। আয়োজকরা তা বুঝতে পেরে দিনের শেষ ইভেন্ট হিসেবে খেলাটিকে রাখেন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেণ শিকদার ও উপ-মন্ত্রী আরিফ খান জয়ও উপভোগ করেন তৈলাক্ত বাঁশ বেয়ে উপরে ওঠার প্রতিযোগিতা।
সাত বিভাগের জন্য সাতটি বাঁশ প্রস্তুত হলেও পাঁচ বিভাগের পাঁচজন প্রতিযোগী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। প্রতিযোগিতার নিয়ম ছিল ১৫ ফুট দীর্ঘ যে বাঁশটি মাটিতে পুঁতে রাখা আছে তা বেয়ে যথাসম্ভব উপরে উঠবেন প্রতিযোগী। তাকে সময় দেওয়া হবে দুই মিনিট। প্রতিযোগীর কেউই অবশ্য দুই মিনিট পিচ্ছিল বাঁশে ঝুলে থাকতে পারেননি; প্রথম ধাক্কায় যে যত উপরে উঠতে পারেন তাতেই মূলত সাফল্য নির্ভর করে। আর এ কৌশল কাজে লাগিয়ে ১২ ফিট পর্যন্ত উঠে প্রথম হয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগের ছেলে শাহ জালাল। দ্বিতীয় হন বরিশালের মুরাদ, তিনি ছুঁতে পেরেছিলেন ১১.৫ ফিটের দাগ। আর তৃতীয় হন সিলেটের রায়হান; তিনি স্পর্শ করেন ১০.৫ ফিটের দাগ।
বালক (একক) : মোরগলড়াই, তৈলাক্ত বাঁশে ওঠা;
বালিকা (দলীয়) : গোল্লাছুট, বউ-চি, কানামাছি ভোঁ ভোঁ এবং বালিকা (একক) : এক্কা-দোক্কা, দড়িলাফ।
এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ।
/আরএম/এফআইআর/