শুরুটা ভালোই ছিল। শেষ পর্যন্ত মেয়েদের কম্পাউন্ডের দলগত ইভেন্টের ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে ইরানের বিপক্ষে ২২৯-২১৭ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। লাল-সবুজ দলের হয়ে তীর ছুড়েছেন রোকসানা আক্তার, সুস্মিতা বণিক ও বন্যা আক্তার।
এর আগে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে চাইনিজ তাইপেকে ২২৪-২২২ পয়েন্টে হারিয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে। যা এশিয়ান আর্চারির কোনও আসরে সেমিফাইনালে ওঠার সর্বোচ্চ প্রাপ্তি। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে লড়াই করতে পারেনি বাংলাদেশ। হারতে হয় ২২৮-২১৩ ব্যবধানে।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে মেয়েদের নিয়ে খুব একটা আশাবাদী ছিলেন না বাংলাদেশের কোচ নিশীথ দাস। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে শিষ্যদের দেখে তিনি তো অবাক হবেনই, ‘এ প্রতিযোগিতায় পাঁচ দিন আমরা টিকে ছিলাম। যেন ক্রিকেটের টেস্ট ম্যাচ খেলে ফেললাম। তবে ব্রোঞ্জ নির্ধারণী ম্যাচে এত বড় ব্যবধানে হেরে যাওয়ার কারণ মূলত টেম্পারমেন্ট।’ সেটার সমাধানও দিলেন নিশীথ, ‘এর জন্য বেশি করে আন্তর্জাতিক আসরে অংশ নিতে হবে আমাদের। খেলোয়াড়দের যত বেশি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে, তারা তত বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।’
এশিয়ান আর্চারির ইতিহাসে প্রথমবার ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে নামার অনুভূতি ভাগাভাগি করেছেন বন্যা এভাবে, ‘আমরা নার্ভাস ছিলাম, চাপ অনুভব করছিলাম। খুব বেশি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে না খেলার কারণে আমাদের ম্যাচ টেম্পারমেন্ট শক্তিশালী দলগুলোর খেলোয়াড়দের মতো নয়। আমরা যত বেশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেব, তত বেশি চাপ সামলাতে পারব। তখন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে সুবিধা হবে।’
এদিকে ছেলেদের রিকার্ভ ও কম্পাউন্ডের দলগত দুই ইভেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে হেরে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ।