২১টি ডিসিপ্লিন নিয়ে হবে এই প্রতিযোগিতা। তবে শনিবার থেকে চূড়ান্ত পর্ব হলেও ফুটবল এবং শুটিং ইভেন্ট শুরু হয়েছে আগেই। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বাজেট ৫ কোটি টাকা। দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরার পাশাপাশি আতশবাজি ও লেজার শো থাকছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। সবকিছুই গ্যালারিতে বসে বিনামূল্যে দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা। আর এই গেমসের মশাল জ্বালাবেন কমনওয়েলথ শুটিংয়ে স্বর্ণপদক জয়ী আসিফ হোসেন খান।
অনূর্ধ্ব-১৭ বয়সীদের এই প্রতিযোগিতা শেষে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) প্রতিভাবানদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিওএ মহাসচিব শাহেদ রেজা সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘সারা দেশ থেকে যেন খেলোয়াড় উঠে আসে, সেই লক্ষ্যেই এমন প্রতিযোগিতা। গেমস শেষে আমরা বসে মূল্যায়ন করব, তারপর প্রতিভাবানদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। যাতে উদীয়মানরা হারিয়ে না যায়।’
বিওএ সহ-সভাপতি শেখ বশির আহমেদ আশা প্রকাশ করেছেন এই বলে, ‘হারিয়ে যাওয়া খেলাগুলোকে চাঙ্গা করা ও প্রতিভা খুঁজে বের করার চেষ্টা এই গেমসের মাধ্যমে। কতটুকু পেরেছি, এই মুহূর্তে তা বলা যাচ্ছে না। চূড়ান্ত পর্বের পারফরম্যান্সের পর সবকিছু পরিষ্কার হবে।’