অচলাবস্থা কাটিয়ে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে টেনিসের নতুন কমিটি। ফেডারেশনের এই কমিটি গত এক জুলাই দায়িত্ব নিয়েছে। কয়েক মাস পার করে অবশেষে সংবাদ সম্মেলনে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছে তারা।
সোমবার শাহবাগের শেখ জামাল টেনিস কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ মোহাম্মদ হায়দার বড় পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে ছয়টি জুনিয়র আসর হবে বাংলাদেশে। সেখানে স্বাগতিক বাংলাদেশও অংশ নেবে। নতুন সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ও এশিয়ান টেনিস ফেডারেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই টেনিস কমপ্লেক্সে কয়েকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের স্বাগতিক হওয়ার ভেন্যু করেছি। এর ফলে আমরা টেনিসকে পুনরায় জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করবো।’
সিনিয়রদের আসর না করে জুনয়িরদের ভেন্যু করার বিষয়ে আবু সাঈদ বলছেন, ‘সিনিয়র পর্যায়ে টুর্নামেন্ট আয়োজনও করা যেতো। তবে সেটা ফলপ্রসূ হতো না। আমরা সেভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবো না। জুনিয়র পর্যায়ে আমাদের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। জুনিয়র পর্যায়ে বেশি খেলা হলে এরা বেশি শাণিত হবে। ৪-৫ বছর পর যখন তারা সিনিয়র হবে, তখন আমাদের দল শক্তিশালী হবে।’
১২-১৫ বছর বয়সী খেলোয়াড়দের নিয়ে আশাবাদী টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘অন্য সকল খেলার তুলনায় টেনিস খানিকটা ভিন্ন। এখানে অর্থ খরচ হয়। ফলে স্বচ্ছল অভিভাবকদের এখানে আসা দরকার। যারা সন্তানের পেছনে ব্যয় করতে পারবে। আমরা এ রকম কয়কেজন অভিভাবক পেয়েছি। তরুণদের মধ্যে সম্ভাবনা থাকলে ফেডারেশন টেকনিক্যাল ও আর্থিক সমর্থন অবশ্যই দেবে।’
এছাড়া জেলা পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলেও টেনিসকে সক্রিয় করার পরিকল্পনা আছে তাদের।