আগের দিন সিনিয়র ক্লাব ভারোত্তোলনে নারী বিভাগে রেকর্ড হয়েছিল। তাদের পথ অনুসরণ করে আজ পুরুষ বিভাগেও রেকর্ড হয়েছে চারটি।
এর মধ্যে অন্যদের ছাড়িয়ে রেকর্ড গড়ে সেরা ভারোত্তোলক হয়েছেন বাগেরহাটের সাতশৈয়া ভারোত্তোলন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জীবন চন্দ্র রায়। ৬১ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচে ৯৬, ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১২০ মিলিয়ে মোট ২১৬ কেজি তুলে তিন বিভাগে সেরা হন জীবন।
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপির মোহাম্মদ রাহিম ৮১ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচে ১০৫, ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১৩১ এবং সব মিলিয়ে ২৩৬ কেজি উত্তোলন করে হয়েছেন প্রথম।
১০৯ কেজি ওজন শ্রেণিতে তিন বিভাগে রেকর্ড গড়ে সেরা হন রাজশাহীর উচ্ছ্বাস যুব সংঘের শাওন ইসলাম। স্ন্যাচে ১০৫, ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১৩৬ মিলিয়ে ২৪১ কেজি উত্তোলন করেন তিনি।
১০৯ প্লাস ওজন শ্রেণিতে সেরা হয়েছেন বিকেএসপির ইন্দ্ররাজ বর্মন। স্ন্যাচে ৯৫, ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১২০ এবং সব মিলিয়ে ২১৫ কেজি তুলে তিন বিভাগে রেকর্ড গড়েন এই ভারোত্তোলক।
বাগেরহাটের মাকুসুদুর রহমান লিম ৬৭ কেজি ওজন শ্রেণিতে, ৭৩ কেজি ওজন শ্রেণিতে একই দলের মাশরাফি ইসলাম ও ৮৯ কেজি ওজন শ্রেণিতে মাসুম বিল্লাহ সেরা হয়েছেন।
এছাড়া ৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের ফারুক পালোয়ান ভারোত্তোলন ক্লাবের মোহাম্মদ পিয়াস ৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে সব মিলিয়ে ১৮৭ কেজি তুলে প্রথম হন।
৯৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে রাজশাহীর আব্দুল হাকিম, ১০২ কেজি ওজন শ্রেণিতে বিকেএসপির মোহাম্মদ আরিফ প্রথম হয়েছেন।
প্রতিযোগিতার পুরুষ বিভাগে দলগত শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছে বাগেরহাটের সাতশৈয়া ভারোত্তোলন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।