সৈয়দ সুজাউদ্দিন আহমেদ সবশেষ দাবা ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ১৬ বছর আগে। এরপর দাবা থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন ছিলেন। এবার দাবা ফেডারেশনে এডহক কমিটি গঠন হয়েছে। সেখানে আবারও সভাপতি হয়ে ফিরেছেন একসময়ের দাপুটে আমলা। ফিরেই দাবাকে নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার কথা শোনালেন। তবে পথ যে কঠিন তা বলতে কুণ্ঠাবোধ করলেন না।
দীর্ঘদিন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এরপর সভাপতি। সদস্য হয়েও কাজ করেছেন। এবার আবারও সভাপতি। দাবার সঙ্গে এই হলো তার সাংগঠনিক ক্যারিয়ার। এই সময়ে বাংলাদেশ চার জন গ্র্যান্ডমাস্টারকে পেয়েছে। এক নিয়াজ ছাড়া জিয়া, রিফাত, রাকিব ও রাজীব তার অধীনে প্রস্ফুটিত হয়েছেন। এরপর থেকে দাবায় আর কেউ গ্র্যান্ডমাস্টার হতে পারেননি। এখনও দাবা অঙ্গন ঘিরে হা-হুতাশ চলে।
সুজাউদ্দিন তা জানেন, বোঝেনও। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমি অনেক দিন পর ফেডারেশনে সভাপতি হয়ে ফিরলাম। ফিরেই ভালো লাগা কাজ করছে। এখন আমার বয়স হয়েছে। এই বয়সে যতটুকু পারবো, ততটুকু কাজ করার চেষ্টা করবো।’
৭৭ বছর বয়সী সংগঠক মনে করছেন, সবাই ঠিকমতো কাজ করলে নতুন করে গ্র্যান্ডমাস্টার বের হওয়া সম্ভব, ‘আসলে এডহক কমিটি তো বেশিদিনের নয়। এই সময়ে সবাই মিলে দাবাকে সামনের দিকে এগিয়ে নেবো। এরজন্য আগে সবার সঙ্গে বসবো। কোথায় কোথায় সমস্যা আছে দেখবো। তারপর যা হয়। তবে নির্বাচিত কমিটি থাকলে ভালো হয়। তখন কাজ করার জন্য সময় পাওয়া যায়।’
বাংলাদেশে ষষ্ঠ গ্র্যান্ডমাস্টার কবে পাওয়া যাবে? ফাহাদ রহমান কিংবা মনন রেজা নীড় কাছাকাছি গিয়ে পারছেন না। সুজাউদ্দিন বলেছেন, ‘অল্প দিনে তো গ্র্যান্ডমাস্টার তৈরি করা সম্ভব নয়। এরজন্য দীর্ঘমেয়াদে পরিকল্পনা প্রয়োজন। দেখা যাক সামনের দিকে কী হয়। তবে সংগঠক হতে হলে প্যাশন, দক্ষতা, সততা ও সর্বোপরি খেলাটাকে ভালোবাসতে হবে। আমি সবাইকে নিয়ে সাধ্যমতো চেষ্টা করবো।’