মাশরাফি জানান, সৌম্য রানে ফিরেছে এটি ভালো একটি খবর, ‘এভাবেই একজন ব্যাটসম্যানকে সমর্থন দিতে হয়। সৌম্য যে সমর্থন পেয়েছে তা অনেকে পান না।’ সৌম্য-সাব্বিরের আউটটাই ম্যাচে টার্নিং পয়েন্ট কিনা জানতে চাইলে বলেন, ‘টার্নিং পয়েন্টতো আরও ছিল। বোলিংও আমাদের পরিকল্পনামতো হয়নি।’ বাংলাদেশের কাপ্তান বলেন, ‘আসলে উইকেটে সেট ব্যাটসম্যান লম্বা সময় খেলতে পারলে দলের জন্যে অনুকূল অনেক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। যেটি পেরেছেন কিউই দলের মুনরো।’
খেলায় কিউই দলের ম্যাচ উইনার, ম্যান অব দ্য ম্যাচ কলিন মুনরো মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘সাব্বির-সৌম্য’র জুটিটি আরও লম্বা হলে আমাদের জন্য ম্যাচ জেতা ওতোটা সহজ হতো না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সাকিব-মুস্তাফিজকে আমাদের দেশেশুনে খেলতে হয়েছে।’ বিশেষ করে মুস্তাফিজকে টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তার বল খেলাটা যে কোনও ব্যাটসম্যানের জন্যেই কঠিন।’
মুনরোর ব্যাপারে মাশরাফি বলেন, ‘সে মূলত মারকুটে ব্যাটসম্যান। মেরে খেলতে পছন্দ করে। আগের ম্যাচে সুবিধা করতে পারেনি। এবার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে।’ মাশরাফি বলেন, ‘মুনরোর রান যদি আমরা ৮০’র ঘরে বেঁধে রাখতে পারতাম তাহলে অন্য পরিস্থিতি হতে পারতো।’ এরপরও উইকেটে সেট অবস্থায় থেকে আউট হওয়া সৌম্য বা সাব্বিরকে দোষ দিতে চাননি মাশরাফি। কারণ তিনি যে দলের অভিভাবক। বলেছেন, ‘যে কোনও ব্যাটসম্যান সেট অবস্থায় থাকলে ওভাবে মেরে খেলতে ইচ্ছা করে।’ দলে একজন স্পেশালিস্ট স্পিনারের অভাব ছিল কিনা জানতে চাইলে বলেন, ‘সাকিব শুরুতে অনেক ভালো করেছে। হয়তো আরও ভালো করতে পারতো।’ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের এক ওভারে ২২ রান দিয়ে আসার কথা অবশ্য অধিনায়ক উল্লেখ করেননি। মাশরাফি স্বীকার করেন, ‘প্রতিটি খেলায় এক-দু’জনের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ভালো হচ্ছে। কিন্তু দলগত পারফরম্যান্সের অভাবে আমরা ম্যাচ জিততে পারছি না।’
ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের পর শুক্রবার মাউন্ট মাঙ্গানুইর বে ওভাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি সিরিজও খুঁইয়েছে বাংলাদেশ দল। কিন্তু এরপরও হতাশ হতে রাজি নন টিম বাংলাদেশের কাপ্তান। বললেন, ‘সামনে আরেকটি ম্যাচ আছে, টেস্ট সিরিজ আছে।’ মাউন্ট মাঙ্গানুইর একই ভেন্যুতেই রবিবার হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ।
/এফএইচএম/