শুভাশিষের ‘নো’ বলকে সৌভাগ্য মানছেন মেন্ডিস

মেন্ডিসের বিরুদ্ধে আপিল করছেন শুভাশিষজীবন ফিরে পেয়ে গল টেস্টের প্রথম দিনের নায়ক সেই মেন্ডিস। দিনশেষে ১৬৬ রানে অপরাজিত আছেন লঙ্কান এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

‘কারও পৌষ মাস কারও সর্বনাশ’- এই প্রবাদ বাক্য যে কতটা সত্যি, সেটা আরেকবার বোঝা গেল গল টেস্টে। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের ষষ্ঠ ওভারে শুভাশিষ রায়ের পঞ্চম বলে লিটনকে ক্যাচ দেন কুশল মেন্ডিস। তখনও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। তার সৌভাগ্য যে শুভাশিষের বলটি ‘নো’ হয়। আম্পায়ার আলিম দার অবশ্য প্রথমে আঙুল তুলেছিলেন। এর পর ব্যাটসম্যান মেন্ডিসকে থামিয়ে ‘নো’ বল হয়েছে কি না দেখতে থার্ড আম্পায়ারের শরণাপন্ন হলেন। শেষ পর্যন্ত মেন্ডিসের সৌভাগ্যটা শুভাশিষের জন্য দুর্ভাগ্য হয়ে এলো।

জীবন ফিরে পেয়ে গল টেস্টের প্রথম দিনের নায়ক সেই মেন্ডিস। দিনশেষে ১৬৬ রানে অপরাজিত আছেন লঙ্কান এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে নিজের এই আউট প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘শটটা খুবই বাজে ছিল। কিন্তু সৌভাগ্য আমার, নো বলের কল্যাণে আমি বেঁচে গিয়েছি। পুরোটাই ভাগ্য, তাছাড়া কিছু নয়।’

তার আগে অবশ্য বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধি হয়ে আসা মিরাজ এটাকে দুর্ভাগ্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, ‘মেন্ডিসের আউটটা হয়ে গেলে দিনটা আরও ভালোভাবে যেতে পারত। কিন্তু এটাকে দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কী বলব। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ তো আর নো বল করে না। অনেক সময় হয়ে যায়।’

দ্বিতীয় জীবন পেয়ে ১৬৬ রান করে মেন্ডিস আরও একটি মাইলফলকে পৌঁছান এদিন। ২২ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান টেস্টে একহাজারি ক্লাবের সদস্য হন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘ম্যাচ শেষে থারাঙ্গা আমাকে বিষয়টি জানায়। এমন একটি অর্জন করতে পেরে আমি দারুন খুশি। শ্রীলঙ্কার হয়ে আরও অনেক রান করতে চাই।’

/আরআই/এফএইচএম/