নতুন স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ডি-মানি আসছে

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তারা

নতুন স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ডি-মানি লিমিটেড শিগগিরই বাংলাদেশে তার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। সিনটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আরেফ আর.বশির ও মাইক্রোসফট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির যৌথভাবে ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজিভিত্তিক (ফিনটেক) প্রতিষ্ঠান দি মানি বাংলাদেশ লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন।

শুরুতেই উদ্দীপন অ্যানার্জি লিমিটেডের (ইউইএল) সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে ডি মানি। চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশে উদ্দীপনের সেবাগ্রহণকারীদের ডিজিটাল কারেন্সি পেমেন্ট নেটওয়ার্ক সেবা দেবে দি মানি। বাংলাদেশের এমএফআই সম্প্রদায়ের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টিশীল সেবা প্রদান করবে ডি মানি ও উদ্দীপন। দ্রততার সঙ্গে দি মানি নিজেদের টিম বড় করছে যাতে সারাদেশে জরিপ করার কাজ সহজে সম্পন্ন করা যায়। এতে করে নিজেদের সফটওয়্যার উন্নয়নে অনুদানের অর্থ বিনিয়োগ করা যাবে উপযুক্ত পরিমাণে।   

অর্থনৈতিক খাতে ডি-মানি এবং ইউইএল ব্যাংকিং সিস্টেম বিষয়ক সেবা প্রদান করবে যার ফলে অর্থের প্রকৃত গুরুত্ব উন্নত প্রযুক্তিগত নিরবচ্ছিন্নভাবে দেওয়া সম্ভব হবে। উদ্দীপনের সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে যারা অর্থের লেনদেন কোনও ইলেক্ট্রনিক বা ব্যাংকিং উপায়ে করেন না তারা লোন সংগ্রহ, টাকা জমার রশিদ কিংবা টাকা ফেরত, এজেন্ট ব্যাংকিং, মার্চেন্ট ক্রয়, নিবন্ধন, ইন্সুরেন্স প্রিমিয়াম সংগ্রহ, অভিযোগ গ্রহণ এবং বিল পরিশোধ করতে পারবেন ডি-মানি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে। এমনকি সেবাগ্রহণকারীরা নিজেদের ফিচার ফোনের মাধ্যমেও ডি-মানি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বিষয়ক সেবা পাবেন। 

এছাড়া ইলেক্ট্রনিক কেওয়াইসি কমপ্লায়েন্স, ই-কমার্স এবং নন-কোর ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস দেবে ডি-মানি। ডি-মানির ওয়ালেট কিংবা সেবা নিতে গ্রহীতাদের স্মার্টফোন এমনকি ইন্টারনেট ব্যবহারের কোনও প্রয়োজন নেই।

ইউইএল-এর চেয়ারপারসন মোঃ ইমরানুল চৌধুরী বলেন, ডি-মানির সঙ্গে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত জনগণকে আর্থিক সেবা দিতে আমরা সক্ষম। আরেফ আর. বশির বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন সেবাগ্রহীদের মাঝে আমরা আমাদের সেবার পরিধি বৃদ্ধি করব। সৃষ্টিশীল ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত আমরা আমাদের অর্থনৈতিক বিষয়ক ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম হব।

সোনিয়া বশির কবির বলেন, ১০০ ভাগ দেশীয় সফটওয়্যার দিয়ে মানসম্মত সেবা প্রদানের মাধ্যমে আমরা এটিকে বিশ্ববাজারে সমাদৃত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশে নারীদের মাঝে প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যাপারে আমি সবসময়ে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য ডি-মানি অর্থনৈতিক লেনদেনের চিরাচরিত চেহারাই পাল্টে দেবে।

/এইচএএইচ/

আরও পড়তে পারেন: থ্রিজি নয়, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটেই কর্মসংস্থান