অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ভিত্তি করে নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নারীর অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর ও সহায়ক কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।’
স্পিকার বলেন, ‘ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার তৃণমূল পর্যায়ে ইতোমধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে ‘ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার’ স্থাপন করেছে। এখান থেকে সাধারণ জনগণ সহজেই প্রয়োজনীয় সেবা নিতে পারছে। ফলে তাদের সময় এবং অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। বর্তমান সরকার ই-কমার্স ও ই-মার্কেটে দেশের নারী সমাজের সক্ষমতাকে যুক্ত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া করেছে-যা দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ঊর্দ্ধমুখী করবে।’
স্পিকার নারী উদ্যোক্তাদের নতুন ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ও মানব সম্পদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক জাতিসংঘ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (ইউএনএপিসিআইসিটি)/এসক্যাপ-বাংলাদেশ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাট, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জুলিয়া নেবলেট, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবির কিশোর চৌধুরী, ইউএনএপিসিআইসিটির পরিচালক ড. হাইউন সুক রি বক্তৃতা করেন।
/আইএইচএস/এসএমএ/