এই ড্রোনে বিশেষ অ্যালগরিদমের সঙ্গে রয়েছে ইমেজ প্রসেসিং ইউনিট যা মানুষ নড়াচড়া করলেই গুরুত্বপূর্ণ সংকেত সরবরাহ করতে সক্ষম। গবেষকরা বলছেন, এটা বিভিন্ন নার্সিং হোম, হাসপাতালের ওয়ার্ড কিংবা যুদ্ধ এলাকায় ব্যবহার করা হতে পারে।
ইতিমধ্যে অসাধারণ প্রযুক্তির এ ডিভাইসটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রযুক্তিবিদ ড্রোনটিকে অ্যাখ্যা দিয়েছেন যুগ পরিবর্তনকারী বলে। এখন পর্যন্ত দূর থেকে এটা দিয়ে সফলভাবে হার্টবিট নির্ণয় করা সম্ভব হয়েছে। পরীক্ষা চালানোর সময় ৩ মিটার দূর থেকে মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হার্টবিটের তথ্য দিয়েছে ড্রোনটি। তবে নির্মাতারা বলছেন, এটা আরও দূর থেকেও সঠিক তথ্য দিতে পারবে।
ড্রোনটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে, নির্মাতাদলের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়ন চাহল বলেন, এটা একেকজন মানুষকে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণ করে তাদের হার্টবিটের অবস্থা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি কেমন আছে তা বলে দিতে পারবে।
সূত্র: বিবিসি নিউজ