বৈঠকে মন্ত্রী আইক্যান কর্তৃপক্ষের কাছে ইউনিকোডে বাংলা ভাষার সমস্যা তুলে ধরে বলেন, ‘বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বাংলাদেশিরা বুকের রক্ত দিয়েছে। বাংলা ভাষার চর্চা ও বিকাশেও বাংলাদেশের অবদানই সবচেয়ে বেশি। দুঃখজনক হলেও সত্য, ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম বাংলা লিপি উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতামতকে অনেক ক্ষেত্রেই গৌণভাবে দেখেছে। ফলে প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে অক্ষর ব্যবহারে আমরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।’
মন্ত্রী জানান, তথ্যপ্রযু্ক্তিতে বাংলা ভাষার উন্নয়নে সরকার ১৬০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বাংলা ভাষা চর্চা ও গবেষণা, বাংলা ভাষার উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে এর প্রয়োগ করা আলাদা কোনও এজেন্ডা নয়, এটির সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক।
বৈঠকে আইক্যান প্রেসিডেন্ট ও সিইও গোরান মারবাই আইক্যান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। আইক্যান চিফ টেকনিক্যাল অফিসার ডেভিড কনার্ডসহ শীর্ষ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হকসহ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।