১ এপ্রিল এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা মোবাইল ফোন অপারেটরদের পাঠিয়েছে বিটিআরসি। সেখানে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন সিস্টেম সম্পর্কিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে নিবন্ধন ছাড়া কোনও সিম ‘অ্যাক্টিভেশন, রি-অ্যাক্টিভেশন, ডি-অ্যাক্টিভেশন, প্রতিস্থাপন বা মালিকানা পরিবর্তন করা যাবে না। কোনও অবস্থাতেই ‘অসত্য বা মিথ্যা’ তথ্য দিয়ে সিম বা রিম নিবন্ধন করা যাবে না এবং যথাযথ বায়োমেট্রিক নিবন্ধন ছাড়া কোনও সিম বিক্রি করা যাবে না। নির্দেশনায় বলা হয়, বায়োমেট্রিক ডিভাইসের মাধ্যমে সংগ্রহ করা তথ্য সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন প্ল্যাটফর্ম এবং অপারেটরের সিম বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন প্ল্যাটফর্ম ছাড়া অন্য কোনও ডিভাইস বা প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণ করা যাবে না।
এ নির্দেশনার লঙ্ঘন হলে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশনের কোনও স্তরে আঙুলের ছাপ বা বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের পর তা সংরক্ষণ করা হলে অথবা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সংরক্ষিত তথ্যের অপব্যবহার হলে তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট অপারেটরের ওপর বর্তাবে বলে সতর্ক করেছে বিটিআরসি।
এ নির্দেশনা জারির পর থেকে বাজারে ডিস্ট্রিবিউশন হাউস, রিটেইলার অন্য যেকোনো স্থানে নিবন্ধিত কিন্তু বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে বাছাই করা নয় অথবা নিবন্ধিত কিন্তু মিথ্যা বা ভুল বা অসত্য তথ্য দিয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে যাচাই করা প্রতিটি সিমের জন্য সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটর বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে ৫ হাজার টাকা হারে প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করা হবে।
বিটিআরসি বলছে, কোনও অবস্থাতেই প্রি-অ্যাক্টিভেটেড সিম বা রিম ব্যবহার, বিতরণ, পরিবেশন, কেনা-বেচা বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করা যাবে না। এছাড়া অবৈধ ভিওআইপি কল আদান-প্রদানে ব্যবহৃত প্রতিটি সিমের জন্যও সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হবে বলে জানানো হয়েছে চিঠিতে।