অনলাইন জাকাত ও সদকা ফিচারের পাশাপাশি রবি বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের সহায়তায় দেশে প্রথমবারের মতো চালু করতে যাচ্ছে ডিজিটাল ইফতার ভেন্ডিং মেশিন- আমার ইফতার। এর মাধ্যমে রমজান মাসজুড়ে ইফতার পাবে পথশিশু ও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত বয়স্ক ব্যক্তিরা।
রিচার্জ বান্ডল কেনার মাধ্যমে ‘আমার ইফতার’ উদ্যোগে অনুদানের সুযোগ পাবেন রবি’র গ্রাহকরা। রাজধানীর একটি হোটেলে সোমবার (৬ মে) এই উদ্যোগটি উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। এ সময় রবি‘র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘অ্যাপসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দান-অনুদানের যে মহৎ উদ্যোগ রবি নিয়েছে সে জন্য তাদের ধন্যবাদ। এমন মহৎ উদ্যোগ প্রচারের দায়িত্ব প্রাথমিকভাবে রবির হলেও একই সঙ্গে গণমাধ্যম এবং যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান এই অনুদান পাবে তাদেরও এ দায়িত্ব নিতে হবে।’
ডিজিটাল ইফতার ভেন্ডিং মেশিনগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ও রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হবে। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও বয়স্কদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করবেন। ভেন্ডিং মেশিনে তাদের আঙুলের ছাপ দিয়ে নির্ধারিত ইফতার সংগ্রহ করতে পারবেন নিবন্ধিত সুবিধাভোগীরা।
রবি’র গ্রাহকরা নূর অ্যাপের মাধ্যমে তাদের জন্য প্রযোজ্য জাকাতের পরিমাণ হিসাব করতে এবং ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে দিতে পারবেন। নূর অ্যাপের মাধ্যমে সদকা প্রদানেরও সুযোগ পাবেন রবি গ্রাহকরা। জাকাত ও সদকা হিসেবে সংগৃহীত সব অনুদান আহছানিয়া মিশন ক্যানসার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন, চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার, স্কলার্স স্পেশাল স্কুল ফর স্পেশাল নিডস চিলড্রেন, রহমত-ই-আলম মিশন ও ইসলাম মিশন এতিমখানায় পাঠানো হবে।
নূর অ্যাপ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে জাকাত বা সদকা পরিশোধের জন্য গ্রাহকদের রবিকে কোনও ধরনের চার্জ দিতে হবে না (তবে কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা পেমেন্ট কোম্পানি চার্জ নিতে পারে)।