সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের লিংকড ডেটা নিয়ে কাজ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, লাইব্রেরি প্রফেশনাল, ওপেন সোর্স অ্যাডভোকেট, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সাংবাদিকসহ অনেকেই যোগ দেন।
সম্মেলনে যোগ দেওয়া ইউনিভার্সিটি অব ওরিগনের ডিজিটাল মেটাডেটা লাইব্রেরিয়ান ও ওরিগন ডিজিটাল নিউজপেপার প্রোগ্রামের ম্যানেজার সারাহ ই সেমোর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এক ছাদের তলায় বিভিন্ন পেশাজীবীদের এমন সম্মেলনে সত্যিকার অর্থেই অনেক কিছু যেমন শেয়ার করার সুযোগ হয়, তেমনি জানারও সুযোগ ঘটে। ভালো লেগেছে সম্মেলনে যোগ দিয়ে।’ সম্মেলন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অপর একটি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা জানান তিনি।
সম্মেলনের শেষ দিনে দুপুরে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ তিনটি সেশন। প্রথম দিনে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে পছন্দের বিষয় জানতে চাওয়া হয়, যা নিয়ে পরদিন দুপুরে আয়োজন করা হয় বিশেষ সেশন। অংশগ্রহণকারীদের নানা পছন্দের মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া তিনটি বিষয় নিয়ে হয় উন্মুক্ত আলোচনা হয়। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
সম্মেলনে যোগ দেওয়া যুক্তরাজ্যের ডাবলিন কোর মেটাডেটা ইনিশিয়েটিভের (ডিসিএমআই) পল ওয়াক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যেকোনও ডিজিটাল ফাইলের জন্য মেটাডেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিংকড ডেটার সঙ্গে মেটাডেটার দারুণ সম্পর্ক। সে বিষয়গুলো এবার কয়েকটি সেশনে আলোচনা হয়েছে।’
শেষ দিনে ভিডিও গেম কন্ট্রোলড ভকাবুলারি ইন উইকিডেটা, লিংকড ডেটা ডিসক্রিপশন ফর স্ক্যানড কার্টোগ্রাফিকস ম্যাটারিয়েলস, লিংকড ডেটা অ্যাপ ফর অথোরিটি কন্ট্রোল, মেকিং লিংকড ডেটা ডেভলপমেন্ট মোর ওপেন অ্যান্ড লেস সেন্ট্রালাইজড, আইডিয়েশন টু প্রটোটাইপ ইত্যাদি বিষয়ে ছিল বিশেষ পর্ব।
এছাড়া ছিল লিংকড ডেটা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ পর্ব। লিংকড ডেটা কীভাবে সাংবাদিকতায় সহায়তা করতে পারে সে বিষয়েও ছিল আলাদা সেশন।
সম্মেলনের কো-চেয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ল্যাথরোপ লাইব্রেরির ম্যানেজার মিশেল ফুটোরনিক জানান, এ ধরনের সম্মেলন আমরা নিয়মিত করার চেষ্টা করছি। যাতে করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের একই রকম কাজ করা মানুষদের আমরা একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে পারি।